নওগাঁর বদলগাছীতে নদীতে ডুবে স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু

মুজাহিদ হোসেন, জেলা প্রতিনিধি ( নওগাঁ )

নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার বালুভরা ইউনিয়নের কোমারপুর গ্রামে নদীতে মাছ ধরার সময় এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। নিহত স্কুলছাত্র মোঃ সোহেল হোসেন, বয়স ১৪ বছর, মির্জাপুর কে.সি. উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। তার বাবা মোঃ আরমান হোসেন পেশায় রাজমিস্ত্রি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে সোহেল হোসেন কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ছোট যমুনা নদীতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে যায়। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, সোহেল নদীর এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যাওয়ার জন্য ডুব দিয়ে নদী পার হতে গিয়ে বিপদে পড়ে। তার কোমরে বাঁধা খাপলা জালের রশি নদীর মধ্যে আটকে যাওয়ায় সোহেল পানিতে ডুবে যায়।

বন্ধুরা তৎক্ষণাৎ চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সোহেলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় বদলগাছী উপজেলার স্থানীয়রা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসী ও স্কুল কর্তৃপক্ষও পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনও দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নদীতে সাঁতার ও মাছ ধরার সময় সতর্ক থাকার জন্য বার্তা দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ছোট যমুনা নদীর মতো স্থানগুলোতে বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের একা বা অশিক্ষিতভাবে ডুব দেওয়া বিপজ্জনক। তারা অভিভাবকদের সতর্ক থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও স্কুল কর্তৃপক্ষ নদীর পারাপারের ক্ষেত্রে সতর্কতা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়া, পরবর্তী সময়ে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে নদী সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোমারপুর গ্রামের এই ঘটনার মাধ্যমে শিশুদের নদীতে নিরাপদ বিচরণের গুরুত্ব আবারও সামনে এসেছে।

নওগাঁর বদলগাছীতে নদীতে ডুবে স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু

সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৫

মুজাহিদ হোসেন, জেলা প্রতিনিধি ( নওগাঁ )

নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার বালুভরা ইউনিয়নের কোমারপুর গ্রামে নদীতে মাছ ধরার সময় এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। নিহত স্কুলছাত্র মোঃ সোহেল হোসেন, বয়স ১৪ বছর, মির্জাপুর কে.সি. উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। তার বাবা মোঃ আরমান হোসেন পেশায় রাজমিস্ত্রি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে সোহেল হোসেন কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ছোট যমুনা নদীতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে যায়। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, সোহেল নদীর এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যাওয়ার জন্য ডুব দিয়ে নদী পার হতে গিয়ে বিপদে পড়ে। তার কোমরে বাঁধা খাপলা জালের রশি নদীর মধ্যে আটকে যাওয়ায় সোহেল পানিতে ডুবে যায়।

বন্ধুরা তৎক্ষণাৎ চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সোহেলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় বদলগাছী উপজেলার স্থানীয়রা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসী ও স্কুল কর্তৃপক্ষও পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনও দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নদীতে সাঁতার ও মাছ ধরার সময় সতর্ক থাকার জন্য বার্তা দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ছোট যমুনা নদীর মতো স্থানগুলোতে বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের একা বা অশিক্ষিতভাবে ডুব দেওয়া বিপজ্জনক। তারা অভিভাবকদের সতর্ক থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও স্কুল কর্তৃপক্ষ নদীর পারাপারের ক্ষেত্রে সতর্কতা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়া, পরবর্তী সময়ে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে নদী সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোমারপুর গ্রামের এই ঘটনার মাধ্যমে শিশুদের নদীতে নিরাপদ বিচরণের গুরুত্ব আবারও সামনে এসেছে।