দোহারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টারঃ

দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে ঢাকার দোহার উপজেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিশেষ দিকনির্দেশনামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং ব্যক্তি, পরিবার, প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাড়ি-আঙিনা, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে এবং মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার কার্যক্রম আরও জোরদার করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাইদুল ইসলাম। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর করলে হবে না; প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাঁর বক্তব্যে বাড়ির আঙিনা, কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তিনি সবাইকে নিজেদের আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় পানি জমে থাকার সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিষ্কার করার আহ্বান জানান। ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা ও দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), দোহার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, দোহার পৌরসভা ও দোহার থানা পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে গার্ল গাইড, রোভার স্কাউট এবং ‘বিডি ক্লিন’-এর স্বেচ্ছাসেবীরাও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণ কর্মসূচিটিকে জনসম্পৃক্ত একটি উদ্যোগে পরিণত করে। এতে বোঝা যায়, ডেঙ্গু প্রতিরোধের মতো জনস্বাস্থ্যসম্পর্কিত বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ থাকলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণ করা। বাড়ি কিংবা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে পড়ে থাকা পাত্র, টব, ড্রাম, নির্মাণসামগ্রী বা অন্য কোনো স্থানে পানি জমে থাকলে তা নিয়মিত পরীক্ষা করে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। একইভাবে নালা-নর্দমা ও পানি নিষ্কাশনের পথ স্বাভাবিক রাখাও জরুরি। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শুধু মশার বিস্তার কমাতে সহায়তা করে না, বরং সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতেও ভূমিকা রাখে। এ কারণে দোহার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নাগরিকদের নিজেদের উদ্যোগে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগের পাশাপাশি পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা বাড়ানো গেলে এর সুফল আরও বিস্তৃত হতে পারে।

কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান সফল করতে সরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো একযোগে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করলেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়; বরং এটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। বাড়ি, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ও জনসাধারণের চলাচলের স্থানগুলো পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয় মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকলে প্রশাসনিক উদ্যোগ আরও ফলপ্রসূ হবে। তাই দোহারে অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনীয়তাও সামনে এনেছে।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবাই দোহার উপজেলাকে পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার শপথ গ্রহণ করেন। হাত তুলে নেওয়া এই শপথের মাধ্যমে নিজেদের পরিবার ও প্রতিষ্ঠান থেকে পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম শুরু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো, পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রশাসন, পৌরসভা, পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক অংশীজনের সমন্বিত ভূমিকা স্থানীয় পর্যায়ে এ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারে। দোহার উপজেলার মানুষ নিয়মিতভাবে নিজেদের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব। পরিচ্ছন্নতা অভিযান তাই একদিনের কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিয়মিত সামাজিক উদ্যোগে রূপ দেওয়ার প্রত্যাশাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আরোও পড়ুন – পাকুন্দিয়ায় সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ, এলাকাবাসীর আনন্দ

দোহারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টারঃ

দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে ঢাকার দোহার উপজেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিশেষ দিকনির্দেশনামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং ব্যক্তি, পরিবার, প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাড়ি-আঙিনা, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে এবং মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার কার্যক্রম আরও জোরদার করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাইদুল ইসলাম। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর করলে হবে না; প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাঁর বক্তব্যে বাড়ির আঙিনা, কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তিনি সবাইকে নিজেদের আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় পানি জমে থাকার সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিষ্কার করার আহ্বান জানান। ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা ও দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), দোহার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, দোহার পৌরসভা ও দোহার থানা পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে গার্ল গাইড, রোভার স্কাউট এবং ‘বিডি ক্লিন’-এর স্বেচ্ছাসেবীরাও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণ কর্মসূচিটিকে জনসম্পৃক্ত একটি উদ্যোগে পরিণত করে। এতে বোঝা যায়, ডেঙ্গু প্রতিরোধের মতো জনস্বাস্থ্যসম্পর্কিত বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ থাকলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণ করা। বাড়ি কিংবা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে পড়ে থাকা পাত্র, টব, ড্রাম, নির্মাণসামগ্রী বা অন্য কোনো স্থানে পানি জমে থাকলে তা নিয়মিত পরীক্ষা করে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। একইভাবে নালা-নর্দমা ও পানি নিষ্কাশনের পথ স্বাভাবিক রাখাও জরুরি। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শুধু মশার বিস্তার কমাতে সহায়তা করে না, বরং সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতেও ভূমিকা রাখে। এ কারণে দোহার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নাগরিকদের নিজেদের উদ্যোগে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগের পাশাপাশি পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা বাড়ানো গেলে এর সুফল আরও বিস্তৃত হতে পারে।

কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান সফল করতে সরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো একযোগে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করলেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়; বরং এটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। বাড়ি, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ও জনসাধারণের চলাচলের স্থানগুলো পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয় মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকলে প্রশাসনিক উদ্যোগ আরও ফলপ্রসূ হবে। তাই দোহারে অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনীয়তাও সামনে এনেছে।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবাই দোহার উপজেলাকে পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার শপথ গ্রহণ করেন। হাত তুলে নেওয়া এই শপথের মাধ্যমে নিজেদের পরিবার ও প্রতিষ্ঠান থেকে পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম শুরু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো, পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রশাসন, পৌরসভা, পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক অংশীজনের সমন্বিত ভূমিকা স্থানীয় পর্যায়ে এ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারে। দোহার উপজেলার মানুষ নিয়মিতভাবে নিজেদের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব। পরিচ্ছন্নতা অভিযান তাই একদিনের কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নিয়মিত সামাজিক উদ্যোগে রূপ দেওয়ার প্রত্যাশাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আরোও পড়ুন – পাকুন্দিয়ায় সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ, এলাকাবাসীর আনন্দ