মো.রিয়াদ/রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৮৪ বোতল স্কাফ সিরাপসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দিবাগত রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার বরাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে এবং রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এ.এইচ.এম. সালাউদ্দিনের তত্ত্বাবধানে মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় থানা পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল বরাবো এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্কাফ সিরাপ উদ্ধারের পাশাপাশি দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এএসআই (নিঃ) হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে রূপগঞ্জ থানার একটি আভিযানিক দল শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে তারাবো পৌরসভার বরাবো এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছে থাকা মালামাল তল্লাশি করে ১৮৪ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। উদ্ধার হওয়া সিরাপের পরিমাণ ও অভিযানের স্থান বিবেচনায় নিয়ে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় মাদকবিরোধী পুলিশের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার প্রাকপুর এলাকার মৃত কুতব উদ্দিনের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৫৫) এবং চাঁদপুর জেলার মতলব থানার কলাকান্দা এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে রাসেল (৩৫)। পুলিশ জানায়, তারা বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার বরাবো এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। অর্থাৎ গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানা ভিন্ন জেলার হলেও তারা রূপগঞ্জের বরাবো এলাকায় বসবাস করছিলেন। পুলিশের অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১৮৪ বোতল স্কাফ উদ্ধারের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
রূপগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, মাদকবিরোধী অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো মাদকদ্রব্যের সরবরাহ ও অবৈধ ব্যবহারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে আবাসিক ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় মাদকদ্রব্যের অবৈধ মজুত বা বেচাকেনার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বরাবো এলাকায় পরিচালিত সাম্প্রতিক এই অভিযানে ১৮৪ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধারের ঘটনাটিও পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ বলে জানানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তারের এই ঘটনায় পুলিশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেছে বলে জানিয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এ এইচ এম সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি জানান, মাদকদ্রব্যসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে এমন অবস্থান জানানোয় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদকবিরোধী অভিযানের ক্ষেত্রে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। একই সঙ্গে অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। বরাবো এলাকায় ১৮৪ বোতল স্কাফ উদ্ধারের ঘটনায়ও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্যের উৎস, সরবরাহ বা সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে অতিরিক্ত কোনো তথ্য পুলিশ প্রকাশ করেনি। ফলে বর্তমানে পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে, ১৮৪ বোতল স্কাফসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে এবং পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের জন্য তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
রূপগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় এই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ও বিপুল পরিমাণ স্কাফ উদ্ধারের ঘটনা স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে মাদকদ্রব্যের অবৈধ সংরক্ষণ, সরবরাহ ও বেচাকেনার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রাখার বার্তা দিয়েছে পুলিশ। তবে অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। গ্রেপ্তার বিল্লাল হোসেন ও রাসেলকে আদালতে পাঠানোর পর মামলাটির পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলবে। এদিকে রূপগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে মাদকদ্রব্যসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
আরোও পড়ুন – বিদেশের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি বন্দি
রূপগঞ্জে ১৮৪ বোতল স্কাফসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
মো.রিয়াদ/রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৮৪ বোতল স্কাফ সিরাপসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দিবাগত রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার বরাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে এবং রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এ.এইচ.এম. সালাউদ্দিনের তত্ত্বাবধানে মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় থানা পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল বরাবো এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্কাফ সিরাপ উদ্ধারের পাশাপাশি দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এএসআই (নিঃ) হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে রূপগঞ্জ থানার একটি আভিযানিক দল শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে তারাবো পৌরসভার বরাবো এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছে থাকা মালামাল তল্লাশি করে ১৮৪ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। উদ্ধার হওয়া সিরাপের পরিমাণ ও অভিযানের স্থান বিবেচনায় নিয়ে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় মাদকবিরোধী পুলিশের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার প্রাকপুর এলাকার মৃত কুতব উদ্দিনের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৫৫) এবং চাঁদপুর জেলার মতলব থানার কলাকান্দা এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে রাসেল (৩৫)। পুলিশ জানায়, তারা বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার বরাবো এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। অর্থাৎ গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানা ভিন্ন জেলার হলেও তারা রূপগঞ্জের বরাবো এলাকায় বসবাস করছিলেন। পুলিশের অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১৮৪ বোতল স্কাফ উদ্ধারের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
রূপগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, মাদকবিরোধী অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো মাদকদ্রব্যের সরবরাহ ও অবৈধ ব্যবহারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে আবাসিক ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় মাদকদ্রব্যের অবৈধ মজুত বা বেচাকেনার অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বরাবো এলাকায় পরিচালিত সাম্প্রতিক এই অভিযানে ১৮৪ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধারের ঘটনাটিও পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ বলে জানানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তারের এই ঘটনায় পুলিশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেছে বলে জানিয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এ এইচ এম সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি জানান, মাদকদ্রব্যসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে এমন অবস্থান জানানোয় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদকবিরোধী অভিযানের ক্ষেত্রে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। একই সঙ্গে অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। বরাবো এলাকায় ১৮৪ বোতল স্কাফ উদ্ধারের ঘটনায়ও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্যের উৎস, সরবরাহ বা সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে অতিরিক্ত কোনো তথ্য পুলিশ প্রকাশ করেনি। ফলে বর্তমানে পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে, ১৮৪ বোতল স্কাফসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে এবং পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের জন্য তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
রূপগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় এই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ও বিপুল পরিমাণ স্কাফ উদ্ধারের ঘটনা স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে মাদকদ্রব্যের অবৈধ সংরক্ষণ, সরবরাহ ও বেচাকেনার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রাখার বার্তা দিয়েছে পুলিশ। তবে অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। গ্রেপ্তার বিল্লাল হোসেন ও রাসেলকে আদালতে পাঠানোর পর মামলাটির পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলবে। এদিকে রূপগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে মাদকদ্রব্যসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
আরোও পড়ুন – বিদেশের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি বন্দি