নোয়াখালীতে হোটেলে পুলিশের অভিযান, আটক ১৮

মো: রিয়াজ উদ্দিন, জেলা প্রতিনিধি (নোয়াখালী)

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে দুটি আবাসিক হোটেলে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৮ নারী-পুরুষকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের দাবি, হোটেল দুটিতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল। শুক্রবার রাতে এবং শনিবার সকালে পর্যায়ক্রমে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তাদের আদালতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটক ১৮ জনের মধ্যে ৬ জন পুরুষ এবং ১২ জন নারী রয়েছেন। তাদের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, সদর ও হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চৌমুহনী বাজারের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর ধারাবাহিকতায় প্রথমে শুক্রবার রাতে চৌমুহনী পৌর এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হয়। পরে শনিবার সকালে একই বাজারের আরেকটি আবাসিক হোটেলে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ডিবির আরেকটি দল। হোটেলে পুলিশের অভিযান দুটির মাধ্যমে মোট ১৮ জনকে আটক করা হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয়েই রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে চৌমুহনী পৌর এলাকার রিলাক্স আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। ওই অভিযানে একজন পুরুষ ও পাঁচ নারীকে আটক করা হয়। পরদিন শনিবার সকালে চৌমুহনী বাজারের ডালিয়া সুপার মার্কেটে অবস্থিত রাজ আবাসিক হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে ডিবির আরেকটি দল। সেখানে পাঁচ পুরুষ ও সাত নারীকে আটক করা হয়। অর্থাৎ দুটি পৃথক অভিযানে রিলাক্স আবাসিক হোটেল থেকে ৬ জন এবং রাজ আবাসিক হোটেল থেকে ১২ জন আটক হন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুই অভিযানে আটক ১৮ জনের মধ্যে মোট ৬ জন পুরুষ ও ১২ জন নারী রয়েছেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হোটেলে পুলিশের অভিযান পরিচালনার আগে চৌমুহনী বাজারের আবাসিক হোটেলগুলোকে ঘিরে অসামাজিক কার্যকলাপের তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্য যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অংশ হিসেবে পৃথক সময়ে অভিযান চালানো হয়েছে। তবে পুলিশের অভিযোগের বাইরে আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে আটকের পর তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এ ক্ষেত্রেও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৯০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৯০ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশের এই বক্তব্য অনুযায়ী, চৌমুহনীর দুটি আবাসিক হোটেলে পরিচালিত অভিযানের পর আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রাথমিক আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। হোটেলে পুলিশের অভিযান নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে যে তথ্য জানানো হয়েছে, তাতে অভিযানের স্থান, আটকের সংখ্যা এবং তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি ব্যবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে মামলার পরবর্তী আদালতীয় কার্যক্রম সম্পর্কে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

চৌমুহনী বাজারে একই সময়ের ব্যবধানে দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে মোট ১৮ জনকে আটকের ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত। তাই তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে। হোটেলে পুলিশের অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানোর মধ্য দিয়ে বিষয়টি এখন আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আদালতের সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত তথ্য জানা যাবে।

প্রতিবেদনটির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে রিলাক্স আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১ পুরুষ ও ৫ নারী এবং শনিবার সকালে রাজ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ৫ পুরুষ ও ৭ নারীকে আটক করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই অভিযানে ১৮ জন আটক হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ এবং ১২ জন নারী। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, সদর ও হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৯০ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা পুলিশের অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই গণ্য করতে হবে।

আরোও পড়ুন – পাকুন্দিয়ায় সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ, এলাকাবাসীর আনন্দ

নোয়াখালীতে হোটেলে পুলিশের অভিযান, আটক ১৮

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

মো: রিয়াজ উদ্দিন, জেলা প্রতিনিধি (নোয়াখালী)

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে দুটি আবাসিক হোটেলে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৮ নারী-পুরুষকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের দাবি, হোটেল দুটিতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল। শুক্রবার রাতে এবং শনিবার সকালে পর্যায়ক্রমে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তাদের আদালতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটক ১৮ জনের মধ্যে ৬ জন পুরুষ এবং ১২ জন নারী রয়েছেন। তাদের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, সদর ও হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চৌমুহনী বাজারের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর ধারাবাহিকতায় প্রথমে শুক্রবার রাতে চৌমুহনী পৌর এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালানো হয়। পরে শনিবার সকালে একই বাজারের আরেকটি আবাসিক হোটেলে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ডিবির আরেকটি দল। হোটেলে পুলিশের অভিযান দুটির মাধ্যমে মোট ১৮ জনকে আটক করা হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয়েই রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে চৌমুহনী পৌর এলাকার রিলাক্স আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। ওই অভিযানে একজন পুরুষ ও পাঁচ নারীকে আটক করা হয়। পরদিন শনিবার সকালে চৌমুহনী বাজারের ডালিয়া সুপার মার্কেটে অবস্থিত রাজ আবাসিক হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে ডিবির আরেকটি দল। সেখানে পাঁচ পুরুষ ও সাত নারীকে আটক করা হয়। অর্থাৎ দুটি পৃথক অভিযানে রিলাক্স আবাসিক হোটেল থেকে ৬ জন এবং রাজ আবাসিক হোটেল থেকে ১২ জন আটক হন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুই অভিযানে আটক ১৮ জনের মধ্যে মোট ৬ জন পুরুষ ও ১২ জন নারী রয়েছেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হোটেলে পুলিশের অভিযান পরিচালনার আগে চৌমুহনী বাজারের আবাসিক হোটেলগুলোকে ঘিরে অসামাজিক কার্যকলাপের তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্য যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অংশ হিসেবে পৃথক সময়ে অভিযান চালানো হয়েছে। তবে পুলিশের অভিযোগের বাইরে আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে আটকের পর তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এ ক্ষেত্রেও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৯০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৯০ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশের এই বক্তব্য অনুযায়ী, চৌমুহনীর দুটি আবাসিক হোটেলে পরিচালিত অভিযানের পর আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রাথমিক আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। হোটেলে পুলিশের অভিযান নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে যে তথ্য জানানো হয়েছে, তাতে অভিযানের স্থান, আটকের সংখ্যা এবং তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি ব্যবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে মামলার পরবর্তী আদালতীয় কার্যক্রম সম্পর্কে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

চৌমুহনী বাজারে একই সময়ের ব্যবধানে দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে মোট ১৮ জনকে আটকের ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত। তাই তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে। হোটেলে পুলিশের অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানোর মধ্য দিয়ে বিষয়টি এখন আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আদালতের সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত তথ্য জানা যাবে।

প্রতিবেদনটির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে রিলাক্স আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১ পুরুষ ও ৫ নারী এবং শনিবার সকালে রাজ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ৫ পুরুষ ও ৭ নারীকে আটক করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই অভিযানে ১৮ জন আটক হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ এবং ১২ জন নারী। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, সদর ও হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৯০ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা পুলিশের অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই গণ্য করতে হবে।

আরোও পড়ুন – পাকুন্দিয়ায় সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ, এলাকাবাসীর আনন্দ