লোহাগাড়ায় অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় অভিযান, ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইয়াছিনঃ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদনের অভিযোগে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানাটিতে খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। পরে কারখানার মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সেখানে মজুদ ও উৎপাদিত আইসক্রিম ধ্বংস করা হয়। প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে স্থানীয় বাজারে শিশুদের জন্য বিক্রি হওয়া খাদ্যপণ্যের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নের আধুনগর বাজারে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। জেলা এনএসআই, চট্টগ্রাম কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বায়েজীদ বিন আখন্দ। এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যের ভিত্তিতে সরেজমিনে পরিদর্শন করে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম, পরিবেশ এবং বাজারজাতের বিষয়গুলো যাচাই করা হয়। অভিযানের সময় কারখানাটির নাম ‘মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ’ বলে শনাক্ত করা হয়। পরে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রশাসনের অভিযানে অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন এবং বাজারজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায় বলে জানানো হয়েছে। এ কারণে কারখানার মালিক মো. আব্দুল মান্নানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান চলাকালে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানাটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন। কারখানায় মজুদ থাকা এবং উৎপাদন করা আইসক্রিমও ধ্বংস করা হয়। প্রশাসনের এ পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল অনিরাপদ খাদ্যপণ্য যেন স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয়ে ভোক্তাদের কাছে না পৌঁছায় তা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে শিশুদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত আইসক্রিমের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, ‘মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ’ নামের কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন করে আসছিল। উৎপাদিত আইসক্রিম পরে উপজেলার বিভিন্ন দোকান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশের এলাকায় বিক্রি করা হতো বলে জানা গেছে। এসব স্থানে শিশু-কিশোরদের মধ্যে আইসক্রিমের চাহিদা বেশি থাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদিত খাদ্যপণ্য তাদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে কারখানাটি ঠিক কতদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছিল এবং কত পরিমাণ আইসক্রিম নিয়মিত উৎপাদন করা হতো, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। বিষয়টি আরও যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযানের সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্যপণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং ভোক্তা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে শিশুদের কাছে বিক্রি হওয়া খাদ্যপণ্যে নিম্নমানের উপকরণ বা অস্বাস্থ্যকর উৎপাদন পরিবেশ থাকলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ কারণে শুধু উৎপাদনকারী নয়, এসব পণ্য বাজারজাত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদেরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্যও একটি বার্তা দিয়েছে—খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

স্থানীয়ভাবে খাদ্যপণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে কারখানার পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ উপকরণ ব্যবহার এবং যথাযথ অনুমোদনের বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গরমের মৌসুমে আইসক্রিম ও ঠান্ডাজাতীয় খাদ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ে। ফলে দ্রুত উৎপাদন ও বাজারজাতের প্রতিযোগিতায় কেউ যেন স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা না করে, সে বিষয়ে নজরদারি প্রয়োজন। আধুনগর বাজারের এ অভিযানের পর স্থানীয় দোকানদার ও খাদ্যপণ্য বিক্রেতাদের মধ্যেও অনুমোদন ও পণ্যের মান যাচাইয়ের বিষয়ে সচেতনতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও শিশুদের জন্য খাদ্যপণ্য কেনার সময় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও পণ্যের নিরাপত্তা সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনুমোদনহীন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনের এমন তৎপরতা নিয়মিতভাবে পরিচালিত হলে অনিয়মকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিও এটি ইতিবাচক বার্তা দেবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু জরিমানা নয়, খাদ্যপণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি, সচেতনতা এবং আইন প্রয়োগ একসঙ্গে কার্যকর করা প্রয়োজন। লোহাগাড়ার আধুনগর বাজারে সাম্প্রতিক এ অভিযান সেই ধারাবাহিকতারই একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরোও পড়ুন – রূপগঞ্জে ১৮৪ বোতল স্কাফসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

লোহাগাড়ায় অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় অভিযান, ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

লোহাগাড়া প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইয়াছিনঃ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদনের অভিযোগে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানাটিতে খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। পরে কারখানার মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সেখানে মজুদ ও উৎপাদিত আইসক্রিম ধ্বংস করা হয়। প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে স্থানীয় বাজারে শিশুদের জন্য বিক্রি হওয়া খাদ্যপণ্যের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নের আধুনগর বাজারে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। জেলা এনএসআই, চট্টগ্রাম কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বায়েজীদ বিন আখন্দ। এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যের ভিত্তিতে সরেজমিনে পরিদর্শন করে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম, পরিবেশ এবং বাজারজাতের বিষয়গুলো যাচাই করা হয়। অভিযানের সময় কারখানাটির নাম ‘মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ’ বলে শনাক্ত করা হয়। পরে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রশাসনের অভিযানে অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন এবং বাজারজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায় বলে জানানো হয়েছে। এ কারণে কারখানার মালিক মো. আব্দুল মান্নানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান চলাকালে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানাটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন। কারখানায় মজুদ থাকা এবং উৎপাদন করা আইসক্রিমও ধ্বংস করা হয়। প্রশাসনের এ পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল অনিরাপদ খাদ্যপণ্য যেন স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয়ে ভোক্তাদের কাছে না পৌঁছায় তা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে শিশুদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত আইসক্রিমের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, ‘মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ’ নামের কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন করে আসছিল। উৎপাদিত আইসক্রিম পরে উপজেলার বিভিন্ন দোকান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশের এলাকায় বিক্রি করা হতো বলে জানা গেছে। এসব স্থানে শিশু-কিশোরদের মধ্যে আইসক্রিমের চাহিদা বেশি থাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদিত খাদ্যপণ্য তাদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে কারখানাটি ঠিক কতদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছিল এবং কত পরিমাণ আইসক্রিম নিয়মিত উৎপাদন করা হতো, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি। বিষয়টি আরও যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযানের সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্যপণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং ভোক্তা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে শিশুদের কাছে বিক্রি হওয়া খাদ্যপণ্যে নিম্নমানের উপকরণ বা অস্বাস্থ্যকর উৎপাদন পরিবেশ থাকলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ কারণে শুধু উৎপাদনকারী নয়, এসব পণ্য বাজারজাত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদেরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্যও একটি বার্তা দিয়েছে—খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

স্থানীয়ভাবে খাদ্যপণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে কারখানার পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ উপকরণ ব্যবহার এবং যথাযথ অনুমোদনের বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গরমের মৌসুমে আইসক্রিম ও ঠান্ডাজাতীয় খাদ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ে। ফলে দ্রুত উৎপাদন ও বাজারজাতের প্রতিযোগিতায় কেউ যেন স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা না করে, সে বিষয়ে নজরদারি প্রয়োজন। আধুনগর বাজারের এ অভিযানের পর স্থানীয় দোকানদার ও খাদ্যপণ্য বিক্রেতাদের মধ্যেও অনুমোদন ও পণ্যের মান যাচাইয়ের বিষয়ে সচেতনতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও শিশুদের জন্য খাদ্যপণ্য কেনার সময় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও পণ্যের নিরাপত্তা সম্পর্কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনুমোদনহীন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনের এমন তৎপরতা নিয়মিতভাবে পরিচালিত হলে অনিয়মকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিও এটি ইতিবাচক বার্তা দেবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু জরিমানা নয়, খাদ্যপণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি, সচেতনতা এবং আইন প্রয়োগ একসঙ্গে কার্যকর করা প্রয়োজন। লোহাগাড়ার আধুনগর বাজারে সাম্প্রতিক এ অভিযান সেই ধারাবাহিকতারই একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরোও পড়ুন – রূপগঞ্জে ১৮৪ বোতল স্কাফসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার