ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড–২০২৫ পেলেন ডা. নজরুল ইসলাম ফারুকী

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

চিকিৎসা সেবা, সমাজকল্যাণ ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের আর এম আধুনিক হাসপাতালের সিইও ডা. নজরুল ইসলাম ফারুকী এবার অর্জন করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড–২০২৫। দক্ষিণ এশিয়া উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এই সম্মাননা তার দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসাসেবা এবং মানবিক অবদানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় মালদ্বীপের রাজধানী মালের জেন মালদ্বীপ শাংরি–লা (ফাইভ স্টার) হোটেলে অনুষ্ঠিত গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রিপাবলিক অব মালদ্বীপের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হারিস মোহামেদ তার হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সম্মানিত অতিথি ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সাঈদ মুস্তফা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খেলাধুলা ও ফিটনেস বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হোসাইন নিহাদ, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও কিং সালমান মসজিদের ইমাম আব্দুল জলিল ইসমাইল। পুরো অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপ সামিটের নির্বাহী পরিচালক মো. গোলাম ফারুক মজনু।

আরোও পড়ুন – ‎ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ডা: নজরুল ইসলাম ফারুকী

এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য মোট ১০ জন গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে ডা. নজরুল ইসলাম ফারুকী ছিলেন অন্যতম। তার এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি শুধুমাত্র মোরেলগঞ্জ নয়, পুরো বাগেরহাট জেলাতেই গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। ইতোমধ্যে ফেসবুকসহ নানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

ডা. ফারুকী এর আগেও দেশ ও বিদেশ থেকে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন, দরিদ্র রোগীদের পাশে দাঁড়ানো এবং আধুনিক ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তার যে নিরলস প্রচেষ্টা—এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার তারই প্রতিফলন।

তার এই অর্জন মোরেলগঞ্জসহ দক্ষিণাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে নতুন অনুপ্রেরণা যোগ করবে বলে স্থানীয়রা মনে করেন। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে মানবকল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেছেন তিনি।

ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড–২০২৫ পেলেন ডা. নজরুল ইসলাম ফারুকী

নভেম্বর ১৯, ২০২৫

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

চিকিৎসা সেবা, সমাজকল্যাণ ও মানবিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের আর এম আধুনিক হাসপাতালের সিইও ডা. নজরুল ইসলাম ফারুকী এবার অর্জন করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড–২০২৫। দক্ষিণ এশিয়া উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এই সম্মাননা তার দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসাসেবা এবং মানবিক অবদানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় মালদ্বীপের রাজধানী মালের জেন মালদ্বীপ শাংরি–লা (ফাইভ স্টার) হোটেলে অনুষ্ঠিত গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রিপাবলিক অব মালদ্বীপের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হারিস মোহামেদ তার হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সম্মানিত অতিথি ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সাঈদ মুস্তফা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খেলাধুলা ও ফিটনেস বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হোসাইন নিহাদ, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও কিং সালমান মসজিদের ইমাম আব্দুল জলিল ইসমাইল। পুরো অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন এশিয়ান বিজনেস পার্টনারশিপ সামিটের নির্বাহী পরিচালক মো. গোলাম ফারুক মজনু।

আরোও পড়ুন – ‎ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ডা: নজরুল ইসলাম ফারুকী

এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য মোট ১০ জন গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে ডা. নজরুল ইসলাম ফারুকী ছিলেন অন্যতম। তার এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি শুধুমাত্র মোরেলগঞ্জ নয়, পুরো বাগেরহাট জেলাতেই গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। ইতোমধ্যে ফেসবুকসহ নানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

ডা. ফারুকী এর আগেও দেশ ও বিদেশ থেকে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন, দরিদ্র রোগীদের পাশে দাঁড়ানো এবং আধুনিক ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তার যে নিরলস প্রচেষ্টা—এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার তারই প্রতিফলন।

তার এই অর্জন মোরেলগঞ্জসহ দক্ষিণাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে নতুন অনুপ্রেরণা যোগ করবে বলে স্থানীয়রা মনে করেন। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে মানবকল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেছেন তিনি।