মোঃ রেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা। তিনি মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় ও স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতির মাঠে যুক্ত এই অভিজ্ঞ নেতা ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার আদায়ের আন্দোলনে তিনি ছিলেন অন্যতম সংগঠক। ২০০১ সাল থেকে এই আন্দোলনের সঙ্গে নিয়মিতভাবে যুক্ত রয়েছেন তিনি।
আবেদ রাজা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সিলেটকে বিভাগে উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন, টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী লংমার্চসহ একাধিক জাতীয় ইস্যুতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া তিনি ‘সিলেট বিভাগ আন্দোলন’ এবং ‘সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ’-এর গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং সেই বছরই প্রথমবার সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১৮ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দি অবস্থার প্রতিবাদে কুলাউড়া শহীদ মিনারে আয়োজিত অনশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
২০২৪ সালের গণআন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের সময় ২২ জুলাই রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৬ আগস্ট তিনি মুক্তি পান।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা বলেন,
“কুলাউড়ার মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক বহু দিনের। তারা জানেন আমি কী করেছি, আমিও জানি তাদের আকাঙ্ক্ষা কী। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, ইনশাআল্লাহ কুলাউড়া আসনকে বিএনপির দুর্গ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারব।”
কুলাউড়ায় বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আবেদ রাজা: আসনের জয়ের লক্ষ্যে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি
মোঃ রেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা। তিনি মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় ও স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতির মাঠে যুক্ত এই অভিজ্ঞ নেতা ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার আদায়ের আন্দোলনে তিনি ছিলেন অন্যতম সংগঠক। ২০০১ সাল থেকে এই আন্দোলনের সঙ্গে নিয়মিতভাবে যুক্ত রয়েছেন তিনি।
আবেদ রাজা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সিলেটকে বিভাগে উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন, টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী লংমার্চসহ একাধিক জাতীয় ইস্যুতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া তিনি ‘সিলেট বিভাগ আন্দোলন’ এবং ‘সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদ’-এর গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০০৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়ে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং সেই বছরই প্রথমবার সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১৮ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবন্দি অবস্থার প্রতিবাদে কুলাউড়া শহীদ মিনারে আয়োজিত অনশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
২০২৪ সালের গণআন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের সময় ২২ জুলাই রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৬ আগস্ট তিনি মুক্তি পান।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা বলেন,
“কুলাউড়ার মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক বহু দিনের। তারা জানেন আমি কী করেছি, আমিও জানি তাদের আকাঙ্ক্ষা কী। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, ইনশাআল্লাহ কুলাউড়া আসনকে বিএনপির দুর্গ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারব।”