সায়েন্স সিটিতে ‘বঙ্গপেক্স ২০২৫’ ফিলাটেলিক প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন করলেন রাজ্যপাল

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ

পশ্চিমবঙ্গ সার্কেল ডাক বিভাগের উদ্যোগে এবং ভারত সরকারের ব্যবস্থাপনায় সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামের গ্রাউন্ড ফ্লোরে অনুষ্ঠিত হলো ফিলাটেলিক ডাকটিকিট প্রদর্শনী ‘বঙ্গপেক্স ২০২৫’–এর শুভ উদ্বোধন। শুক্রবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন মাননীয় রাজ্যপাল ড. সি ভি আনন্দ বোস। ফিতে কেটে উদ্বোধনের পর তিনি প্রদর্শনীর প্রতিটি স্টল ঘুরে দেখেন এবং মূল্যবান ও দুর্লভ ডাকটিকিটসহ সংরক্ষিত সংগ্রহশালার বিভিন্ন উপাদান পরিদর্শন করেন। এরপর মূল অডিটোরিয়ামে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয়।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী, কোরিওগ্রাফার ও পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত মমতা শঙ্কর, নেতাজী রিসার্চ ব্যুরোর পরিচালক ড. সুমন্ত বোস, পিসিআই–এর মহাসচিব শ্রী রাজেশ বাগরী, পিসিআই–এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মধুকর দেওগাঁওকা, চিফ পোস্ট মাস্টার শ্রী অশোক কুমার, পোস্ট মাস্টার জেনারেল (মেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) শ্রী সুপ্রিয় ঘোষ, পোস্ট মাস্টার জেনারেল (সাউথ বেঙ্গল) শ্রী রিজু গাঙ্গুলী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা। সকল অতিথিকে উত্তরীয়, ফুল ও স্মারক প্রদান করে সম্মানিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে নেতাজী দুর্গা পূজা বিষয়ক একটি প্রবন্ধ এবং ৮টি বিশেষ পোস্টারের একটি সেট প্রকাশ করা হয়। বেশ কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিল্পী ও সাহিত্যিকের স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রকাশিত এই সামগ্রী সংগ্রাহকদের বিশেষ আগ্রহ কাড়ে।

আরোও পড়ুন – সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাবের প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করলেন জি বাংলা খ্যাত ‘ফুলকি’

প্রদর্শনী চলবে ১৪ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। দর্শকদের জন্য প্রবেশ বিনামূল্যে রাখা হয়েছে। স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। আয়োজনের মধ্যে থাকছে প্রবন্ধ লেখা, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, ফিলাটেলিক ওয়ার্কশপ, স্ট্যাম্প ডিজাইনিং, চিঠি লেখা, কুইজ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সবশেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হবে।

ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ডাকটিকিট সংগ্রহের আগ্রহ বৃদ্ধি ও ফিলাটেলি চর্চাকে বিস্তৃত করা এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। রাজ্যপাল তার বক্তব্যে ডাক বিভাগের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের প্রদর্শনী যুব সমাজকে নতুন ভাবনায় অনুপ্রাণিত করবে এবং অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণের এক অনন্য উপায় হিসেবে কাজ করবে।

“বঙ্গপেক্স” প্রথম শুরু হয় ২০১৯ সালে। নানা কারণে দীর্ঘ বিরতির পর এবার পুনরায় রাজ্যস্তরে বৃহৎ আকারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আয়োজকদের আশা, এবারের প্রদর্শনী দর্শক ও সংগ্রাহকদের নতুন অভিজ্ঞতা দেবে এবং ছাত্র–ছাত্রীদের মধ্যে ফিলাটেলির প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে।

সায়েন্স সিটিতে ‘বঙ্গপেক্স ২০২৫’ ফিলাটেলিক প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন করলেন রাজ্যপাল

নভেম্বর ১৫, ২০২৫

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ

পশ্চিমবঙ্গ সার্কেল ডাক বিভাগের উদ্যোগে এবং ভারত সরকারের ব্যবস্থাপনায় সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামের গ্রাউন্ড ফ্লোরে অনুষ্ঠিত হলো ফিলাটেলিক ডাকটিকিট প্রদর্শনী ‘বঙ্গপেক্স ২০২৫’–এর শুভ উদ্বোধন। শুক্রবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন মাননীয় রাজ্যপাল ড. সি ভি আনন্দ বোস। ফিতে কেটে উদ্বোধনের পর তিনি প্রদর্শনীর প্রতিটি স্টল ঘুরে দেখেন এবং মূল্যবান ও দুর্লভ ডাকটিকিটসহ সংরক্ষিত সংগ্রহশালার বিভিন্ন উপাদান পরিদর্শন করেন। এরপর মূল অডিটোরিয়ামে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয়।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী, কোরিওগ্রাফার ও পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত মমতা শঙ্কর, নেতাজী রিসার্চ ব্যুরোর পরিচালক ড. সুমন্ত বোস, পিসিআই–এর মহাসচিব শ্রী রাজেশ বাগরী, পিসিআই–এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মধুকর দেওগাঁওকা, চিফ পোস্ট মাস্টার শ্রী অশোক কুমার, পোস্ট মাস্টার জেনারেল (মেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) শ্রী সুপ্রিয় ঘোষ, পোস্ট মাস্টার জেনারেল (সাউথ বেঙ্গল) শ্রী রিজু গাঙ্গুলী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা। সকল অতিথিকে উত্তরীয়, ফুল ও স্মারক প্রদান করে সম্মানিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে নেতাজী দুর্গা পূজা বিষয়ক একটি প্রবন্ধ এবং ৮টি বিশেষ পোস্টারের একটি সেট প্রকাশ করা হয়। বেশ কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিল্পী ও সাহিত্যিকের স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রকাশিত এই সামগ্রী সংগ্রাহকদের বিশেষ আগ্রহ কাড়ে।

আরোও পড়ুন – সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে টালিগঞ্জ বয়েজ ক্লাবের প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করলেন জি বাংলা খ্যাত ‘ফুলকি’

প্রদর্শনী চলবে ১৪ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। দর্শকদের জন্য প্রবেশ বিনামূল্যে রাখা হয়েছে। স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। আয়োজনের মধ্যে থাকছে প্রবন্ধ লেখা, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, ফিলাটেলিক ওয়ার্কশপ, স্ট্যাম্প ডিজাইনিং, চিঠি লেখা, কুইজ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সবশেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হবে।

ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ডাকটিকিট সংগ্রহের আগ্রহ বৃদ্ধি ও ফিলাটেলি চর্চাকে বিস্তৃত করা এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। রাজ্যপাল তার বক্তব্যে ডাক বিভাগের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের প্রদর্শনী যুব সমাজকে নতুন ভাবনায় অনুপ্রাণিত করবে এবং অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণের এক অনন্য উপায় হিসেবে কাজ করবে।

“বঙ্গপেক্স” প্রথম শুরু হয় ২০১৯ সালে। নানা কারণে দীর্ঘ বিরতির পর এবার পুনরায় রাজ্যস্তরে বৃহৎ আকারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আয়োজকদের আশা, এবারের প্রদর্শনী দর্শক ও সংগ্রাহকদের নতুন অভিজ্ঞতা দেবে এবং ছাত্র–ছাত্রীদের মধ্যে ফিলাটেলির প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে।