তাহিরপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ–সার বিতরণে কৃষকদের উৎসাহ বৃদ্ধি

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী উপজেলা তাহিরপুরে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বোরো (উফশী) ধান উৎপাদন আরও বিস্তৃত ও সুসংহত করতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সরকারিভাবে প্রণোদনা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিনামূল্যে উচ্চমানের বীজ ও রাসায়নিক সার পেয়ে কৃষকদের মধ্যে মৌসুম শুরুর আগেই যথেষ্ট উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

১৯ নভেম্বর বুধবার দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা অফিস চত্বরে প্রণোদনা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর মোট ১ হাজার ১০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বোরো মৌসুমের জন্য উপযোগী বীজ ও সার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান মানিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাব্বির সারোয়ার, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, সাংবাদিক বাবরুল হাসান বাবলু, রোকন উদ্দিন, সৈকত হাসান, কামাল হাসান রাফি, মনিরাজ শাহসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার ব্যক্তিরা।

আরোও পড়ুন – ইসলামপুরে কৃষি প্রণোদনার সার–বীজ পাচারের অভিযোগে তদন্তের দাবি

কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, প্রতিটি কৃষককে ৫ কেজি বোরো (উফশী) ধানের উন্নতমানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার সরবরাহ করা হয়েছে। তিনি বলেন, মৌসুমের শুরুতে এই সহায়তা কৃষকদের উৎপাদন খরচ অনেকটাই কমাবে এবং প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক চাষাবাদের দিকে আরও বেশি করে আগ্রহী করবে। স্থানীয় কৃষকদের একটি বড় অংশ এখনও ক্ষুদ্র আকারে কৃষিকাজ পরিচালনা করেন, যার ফলে সরকারিভাবে প্রদত্ত এ ধরনের প্রণোদনা তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান মানিক বলেন, কৃষিকে একটি উৎপাদনমুখী, লাভজনক এবং টেকসই খাতে উন্নীত করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে দৃশ্যমান হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষকরা সবচেয়ে বড় শক্তি, তাই তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এলাকার কৃষকরা যাতে সময়মতো প্রয়োজনীয় সার ও বীজ পেতে পারেন— সে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হবে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, মৌসুম শুরুর আগেই বিনামূল্যের এ সহায়তা তাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকেরা পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন খরচ ও আবহাওয়াজনিত ঝুঁকির কারণে প্রায়ই অতিরিক্ত চাপে থাকেন। তাই সরকারি প্রণোদনা তাদের আর্থিক চাপ কমিয়ে সঠিক সময়ে জমি প্রস্তুতে সহায়ক হবে।

তাহিরপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ–সার বিতরণে কৃষকদের উৎসাহ বৃদ্ধি

নভেম্বর ১৯, ২০২৫

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী উপজেলা তাহিরপুরে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বোরো (উফশী) ধান উৎপাদন আরও বিস্তৃত ও সুসংহত করতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সরকারিভাবে প্রণোদনা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিনামূল্যে উচ্চমানের বীজ ও রাসায়নিক সার পেয়ে কৃষকদের মধ্যে মৌসুম শুরুর আগেই যথেষ্ট উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

১৯ নভেম্বর বুধবার দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা অফিস চত্বরে প্রণোদনা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর মোট ১ হাজার ১০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বোরো মৌসুমের জন্য উপযোগী বীজ ও সার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান মানিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাব্বির সারোয়ার, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, সাংবাদিক বাবরুল হাসান বাবলু, রোকন উদ্দিন, সৈকত হাসান, কামাল হাসান রাফি, মনিরাজ শাহসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার ব্যক্তিরা।

আরোও পড়ুন – ইসলামপুরে কৃষি প্রণোদনার সার–বীজ পাচারের অভিযোগে তদন্তের দাবি

কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, প্রতিটি কৃষককে ৫ কেজি বোরো (উফশী) ধানের উন্নতমানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার সরবরাহ করা হয়েছে। তিনি বলেন, মৌসুমের শুরুতে এই সহায়তা কৃষকদের উৎপাদন খরচ অনেকটাই কমাবে এবং প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক চাষাবাদের দিকে আরও বেশি করে আগ্রহী করবে। স্থানীয় কৃষকদের একটি বড় অংশ এখনও ক্ষুদ্র আকারে কৃষিকাজ পরিচালনা করেন, যার ফলে সরকারিভাবে প্রদত্ত এ ধরনের প্রণোদনা তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান মানিক বলেন, কৃষিকে একটি উৎপাদনমুখী, লাভজনক এবং টেকসই খাতে উন্নীত করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে দৃশ্যমান হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষকরা সবচেয়ে বড় শক্তি, তাই তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এলাকার কৃষকরা যাতে সময়মতো প্রয়োজনীয় সার ও বীজ পেতে পারেন— সে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হবে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, মৌসুম শুরুর আগেই বিনামূল্যের এ সহায়তা তাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকেরা পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন খরচ ও আবহাওয়াজনিত ঝুঁকির কারণে প্রায়ই অতিরিক্ত চাপে থাকেন। তাই সরকারি প্রণোদনা তাদের আর্থিক চাপ কমিয়ে সঠিক সময়ে জমি প্রস্তুতে সহায়ক হবে।