সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ
কলকাতার ধর্মতলা এলাকায় শুক্রবার দুপুরে সমগ্র শিক্ষা বাঁচাও মঞ্চের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় বৃহৎ কর্মবিরতি, অবস্থান বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচি। ২১ নভেম্বর ঠিক দুপুর একটায় শিয়ালদা স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে কয়েকশো পার্শ্ব শিক্ষক, এসএসকে-এমএসকে শিক্ষক, পঞ্চায়েত ও পৌরসভাভুক্ত শিক্ষাকর্মীসহ সমগ্র শিক্ষা মিশনে যুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা মিছিল করে এসএন ব্যানার্জি রোড হয়ে ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিংয়ে জড়ো হন।
শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অযৌক্তিক কম বেতন, স্থায়ী নিয়োগ না হওয়া, শূন্যপদে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার অভাব এবং বেতন কাঠামো সংশোধনসহ বিভিন্ন দাবি বিবেচনায় নেয়নি প্রশাসন। তাই বাধ্য হয়েই তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন। মিছিলটি ডরিনা ক্রসিংয়ে পৌঁছালে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। অংশগ্রহণকারীরা জানান, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি তাদের উদ্দেশ্য নয়, তবে দাবি আদায়ের প্রয়োজনে ২০ মিনিটের প্রতীকী অবরোধ করতে হয়েছে।
প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেন মনোরঞ্জন মণ্ডল, শামীম আখতার, পরিমল ব্যানার্জি, শংকর সরকারসহ যৌথ মঞ্চের অন্যান্য প্রতিনিধিরা। তাদের বক্তব্য, বেশ কয়েক বছর ধরে শিক্ষকরা ৮ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকার সীমিত আয় নিয়ে পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বাড়তি বাজারদর ও জীবিকা ব্যয়ের বিপরীতে এই বেতন বাস্তবে টিকে থাকার উপযোগী নয়। বহু বছর ধরে দায়িত্ব পালন করেও স্থায়ী নিয়োগ বা বেতন বৃদ্ধিতে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই।
আরোও পড়ুন – হাজরা মোড়ে কালীঘাট অভিযানে প্রাণিসম্পদ বিকাশ কর্মীদের গ্রেপ্তার, উত্তপ্ত পরিস্থিতি ঘিরে বিশৃঙ্খলা
শিক্ষকদের দাবি, ০১.০৩.২০২৪ তারিখের অর্ডার মেমো নং ১০৯১-F(P2) অনুযায়ী সকল শিক্ষাকর্মীর বেতন বৃদ্ধি দ্রুত ঘোষণা করতে হবে। পাশাপাশি নিয়োগের প্রথম দিন থেকেই ইপি এফ চালুর দাবি ওঠে বিক্ষোভে। একই সঙ্গে সমগ্র শিক্ষার আওতাধীন সব শূন্যপদ দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পূরণের কথা তুলে ধরেন তারা।
বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনের কাছে স্পষ্ট জানিয়ে দেন—দাবি না মানলে ওয়াই চ্যানেলে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান বিক্ষোভ চলবে। প্রয়োজন হলে বিকাশ ভবনের সামনে থাকা সব কার্যক্রম স্থানান্তর করে তারা সেখানেই অবস্থান নেবেন। বেশ কিছুক্ষণ আলোচনার পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মিছিলটি ওয়াই চ্যানেলের দিকে অগ্রসর হয় এবং প্রতিনিধি দল ডেপুটেশন জমা দেয়।
পার্শ্ব শিক্ষকদের বক্তব্য, শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাঁচিয়ে রাখতে কর্মরত সকল শিক্ষাকে মর্যাদা ও নিরাপত্তা দিতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত হওয়ায় তাদের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। প্রশাসন দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে বলেও জানান উপস্থিত শিক্ষকরা।

বেতন বৃদ্ধি ও স্থায়ী নিয়োগের দাবিতে সারাদেশের পার্শ্ব শিক্ষকদের বিক্ষোভে উত্তাল ধর্মতলা
সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ
কলকাতার ধর্মতলা এলাকায় শুক্রবার দুপুরে সমগ্র শিক্ষা বাঁচাও মঞ্চের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় বৃহৎ কর্মবিরতি, অবস্থান বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচি। ২১ নভেম্বর ঠিক দুপুর একটায় শিয়ালদা স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে কয়েকশো পার্শ্ব শিক্ষক, এসএসকে-এমএসকে শিক্ষক, পঞ্চায়েত ও পৌরসভাভুক্ত শিক্ষাকর্মীসহ সমগ্র শিক্ষা মিশনে যুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা মিছিল করে এসএন ব্যানার্জি রোড হয়ে ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিংয়ে জড়ো হন।
শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অযৌক্তিক কম বেতন, স্থায়ী নিয়োগ না হওয়া, শূন্যপদে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার অভাব এবং বেতন কাঠামো সংশোধনসহ বিভিন্ন দাবি বিবেচনায় নেয়নি প্রশাসন। তাই বাধ্য হয়েই তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন। মিছিলটি ডরিনা ক্রসিংয়ে পৌঁছালে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। অংশগ্রহণকারীরা জানান, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি তাদের উদ্দেশ্য নয়, তবে দাবি আদায়ের প্রয়োজনে ২০ মিনিটের প্রতীকী অবরোধ করতে হয়েছে।
প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেন মনোরঞ্জন মণ্ডল, শামীম আখতার, পরিমল ব্যানার্জি, শংকর সরকারসহ যৌথ মঞ্চের অন্যান্য প্রতিনিধিরা। তাদের বক্তব্য, বেশ কয়েক বছর ধরে শিক্ষকরা ৮ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকার সীমিত আয় নিয়ে পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বাড়তি বাজারদর ও জীবিকা ব্যয়ের বিপরীতে এই বেতন বাস্তবে টিকে থাকার উপযোগী নয়। বহু বছর ধরে দায়িত্ব পালন করেও স্থায়ী নিয়োগ বা বেতন বৃদ্ধিতে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই।
আরোও পড়ুন – হাজরা মোড়ে কালীঘাট অভিযানে প্রাণিসম্পদ বিকাশ কর্মীদের গ্রেপ্তার, উত্তপ্ত পরিস্থিতি ঘিরে বিশৃঙ্খলা
শিক্ষকদের দাবি, ০১.০৩.২০২৪ তারিখের অর্ডার মেমো নং ১০৯১-F(P2) অনুযায়ী সকল শিক্ষাকর্মীর বেতন বৃদ্ধি দ্রুত ঘোষণা করতে হবে। পাশাপাশি নিয়োগের প্রথম দিন থেকেই ইপি এফ চালুর দাবি ওঠে বিক্ষোভে। একই সঙ্গে সমগ্র শিক্ষার আওতাধীন সব শূন্যপদ দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পূরণের কথা তুলে ধরেন তারা।
বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনের কাছে স্পষ্ট জানিয়ে দেন—দাবি না মানলে ওয়াই চ্যানেলে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান বিক্ষোভ চলবে। প্রয়োজন হলে বিকাশ ভবনের সামনে থাকা সব কার্যক্রম স্থানান্তর করে তারা সেখানেই অবস্থান নেবেন। বেশ কিছুক্ষণ আলোচনার পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মিছিলটি ওয়াই চ্যানেলের দিকে অগ্রসর হয় এবং প্রতিনিধি দল ডেপুটেশন জমা দেয়।
পার্শ্ব শিক্ষকদের বক্তব্য, শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাঁচিয়ে রাখতে কর্মরত সকল শিক্ষাকে মর্যাদা ও নিরাপত্তা দিতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত হওয়ায় তাদের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। প্রশাসন দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে বলেও জানান উপস্থিত শিক্ষকরা।
