সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ
কলকাতার প্রিয়া সিনেমা হলে উৎসবমুখর পরিবেশে মুক্তি পেল বাংলা সিনেমা লক্ষীকান্তপুর লোকাল। শনিবার সন্ধ্যায় ছবির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের জন্য সকাল থেকেই হল চত্বরে ভিড় জমতে থাকে। দর্শকদের উচ্ছ্বাস, তারকাদের আগমন, আর নৃত্যশিল্পীদের পরিবেশনায় পুরো এলাকা পরিণত হয় এক মহা আয়োজনের মঞ্চে। শহরের বহু প্রান্ত থেকে আসা দর্শকেরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ছিলেন শুধুমাত্র এই নতুন ছবির প্রথম প্রদর্শনী দেখার জন্য।
সন্ধ্যা নামতেই প্রিয়া সিনেমা হলে পৌঁছাতে থাকেন রাজ্যের বিভিন্ন জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক এবং জনপ্রিয় অভিনেতা মদন মিত্র, রাজ কমল মুখার্জি, প্রডিউসার সঙ্গীতা সিংহা, এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার সৌমিত্র ভান্ডারী, কৌশিক গাঙ্গুলী, চূর্ণী গাঙ্গুলী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, জুন মালিয়া, রাজনন্দিনী পাল, জন ভট্টাচার্য, হরনাথ চক্রবর্তী, অশোক বিশ্বনাথন, দেবলীনা, ইমনসহ আরও অনেকে। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সায়নী ঘোষ, দেবাংশু, কুমার সাহা, ঝন্টু ও রানা বসু ঠাকুর।
চলচ্চিত্রটির নির্মাতারা জানান, শিয়ালদা থেকে লক্ষ্মীকান্তপুর লোকাল ট্রেনপথে প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াতের গল্প ও বাস্তব জীবনকে কেন্দ্র করেই তৈরি করা হয়েছে লক্ষীকান্তপুর লোকাল। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সংগ্রাম, কর্মজীবনের ব্যস্ততা, ট্রেনভ্রমণের নিত্য ঘটনা—সব মিলিয়ে ছবিটি তৈরি হয়েছে এক সম্পূর্ণ সামাজিক বাস্তবতার ভিত্তিতে। নির্মাতাদের বিশ্বাস, পূর্বে ‘বনগাঁ লোকাল’-এর মতো এই ছবিটিও দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলবে।
আরোও পড়ুন – শীতের শুরুতেই কলকাতার পার্কে ভিনদেশীদের শীতবস্ত্রের রঙিন মেলা, ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়
ছবির মুক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজনৈতিক নেতারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও নাগরিক স্বার্থ রক্ষার প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তারা জানান, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার যাতে কোনভাবেই ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে তারা সর্বদা সতর্ক। পাশাপাশি ছবির মাধ্যমে মানুষের মনোবল আরও দৃঢ় হবে বলেও মত প্রকাশ করেন তারা।
মুক্তির প্রথম দিনেই দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শকদের ভিড় প্রমাণ করে, দীর্ঘদিন ধরে এই ছবিকে নিয়ে মানুষের আগ্রহ কত গভীর। অনেকে জানান, বনগাঁ লোকাল ছবিটি দেখার পর তারা নতুন এই ছবিটি নিয়েও সমান প্রত্যাশা রাখছেন। সন্ধ্যার প্রথম শো থেকেই দর্শকের উচ্ছ্বাস স্পষ্ট করে দেয় যে লক্ষীকান্তপুর লোকাল আগামী দিনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে।
কলকাতার প্রিয়া হলে জমকালো উদ্বোধন—মুক্তি পেলো বাংলা ছবি ‘লক্ষীকান্তপুর লোকাল’
সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গঃ
কলকাতার প্রিয়া সিনেমা হলে উৎসবমুখর পরিবেশে মুক্তি পেল বাংলা সিনেমা লক্ষীকান্তপুর লোকাল। শনিবার সন্ধ্যায় ছবির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের জন্য সকাল থেকেই হল চত্বরে ভিড় জমতে থাকে। দর্শকদের উচ্ছ্বাস, তারকাদের আগমন, আর নৃত্যশিল্পীদের পরিবেশনায় পুরো এলাকা পরিণত হয় এক মহা আয়োজনের মঞ্চে। শহরের বহু প্রান্ত থেকে আসা দর্শকেরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে ছিলেন শুধুমাত্র এই নতুন ছবির প্রথম প্রদর্শনী দেখার জন্য।
সন্ধ্যা নামতেই প্রিয়া সিনেমা হলে পৌঁছাতে থাকেন রাজ্যের বিভিন্ন জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক এবং জনপ্রিয় অভিনেতা মদন মিত্র, রাজ কমল মুখার্জি, প্রডিউসার সঙ্গীতা সিংহা, এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার সৌমিত্র ভান্ডারী, কৌশিক গাঙ্গুলী, চূর্ণী গাঙ্গুলী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, জুন মালিয়া, রাজনন্দিনী পাল, জন ভট্টাচার্য, হরনাথ চক্রবর্তী, অশোক বিশ্বনাথন, দেবলীনা, ইমনসহ আরও অনেকে। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সায়নী ঘোষ, দেবাংশু, কুমার সাহা, ঝন্টু ও রানা বসু ঠাকুর।
চলচ্চিত্রটির নির্মাতারা জানান, শিয়ালদা থেকে লক্ষ্মীকান্তপুর লোকাল ট্রেনপথে প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াতের গল্প ও বাস্তব জীবনকে কেন্দ্র করেই তৈরি করা হয়েছে লক্ষীকান্তপুর লোকাল। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সংগ্রাম, কর্মজীবনের ব্যস্ততা, ট্রেনভ্রমণের নিত্য ঘটনা—সব মিলিয়ে ছবিটি তৈরি হয়েছে এক সম্পূর্ণ সামাজিক বাস্তবতার ভিত্তিতে। নির্মাতাদের বিশ্বাস, পূর্বে ‘বনগাঁ লোকাল’-এর মতো এই ছবিটিও দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলবে।
আরোও পড়ুন – শীতের শুরুতেই কলকাতার পার্কে ভিনদেশীদের শীতবস্ত্রের রঙিন মেলা, ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়
ছবির মুক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজনৈতিক নেতারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও নাগরিক স্বার্থ রক্ষার প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তারা জানান, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার যাতে কোনভাবেই ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে তারা সর্বদা সতর্ক। পাশাপাশি ছবির মাধ্যমে মানুষের মনোবল আরও দৃঢ় হবে বলেও মত প্রকাশ করেন তারা।
মুক্তির প্রথম দিনেই দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শকদের ভিড় প্রমাণ করে, দীর্ঘদিন ধরে এই ছবিকে নিয়ে মানুষের আগ্রহ কত গভীর। অনেকে জানান, বনগাঁ লোকাল ছবিটি দেখার পর তারা নতুন এই ছবিটি নিয়েও সমান প্রত্যাশা রাখছেন। সন্ধ্যার প্রথম শো থেকেই দর্শকের উচ্ছ্বাস স্পষ্ট করে দেয় যে লক্ষীকান্তপুর লোকাল আগামী দিনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে।