মাধবপুরে সাড়ে ৯ শতাধিক ইয়াবাসহ যুবক আটক

এম এ বাছির রাজা,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে সাড়ে ৯ শতাধিক পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ দিলশাদ মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে উপজেলার মনতলা-চৌমুহনী সড়কের তেমুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেমুনিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে দিলশাদ মিয়াকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে সাড়ে ৯ শতাধিক পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক মোহাম্মদ দিলশাদ মিয়া সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের মন্দিহাতা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের ইসহাক আলীর ছেলে। তেমুনিয়া এলাকায় পুলিশের অভিযানের সময় তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে তার কাছে থাকা ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইয়াবাসহ যুবক আটক হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া মাদকের প্রকৃত সংখ্যা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিক বিষয় মামলা ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার কথা রয়েছে।

স্থানীয় সড়ক হিসেবে মনতলা-চৌমুহনী সড়কটি মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ওই সড়কের তেমুনিয়া এলাকায় শনিবার রাতে পুলিশের অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক এবং তার কাছ থেকে মাদক উদ্ধারের কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ইয়াবাসহ যুবক আটক সংক্রান্ত এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে গণ্য করা যাবে না।

অভিযানের বিষয়ে পুলিশ জানায়, তেমুনিয়া এলাকায় মাদকদ্রব্যের একটি চালান বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবস্থানের বিষয়ে গোপন তথ্য পাওয়ার পর সেখানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। এ সময় মোহাম্মদ দিলশাদ মিয়ার কাছ থেকে সাড়ে ৯ শতাধিক পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এরপর তাকে আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়া হয়। ইয়াবাসহ যুবক আটক হওয়ার পর উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় সাধারণত উদ্ধার হওয়া মাদকের পরিমাণ, আটক ব্যক্তির পরিচয় এবং অভিযানের স্থানসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়। মাধবপুরের তেমুনিয়া এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানেও আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মামলার পরবর্তী তদন্তে ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, মাদক কোথা থেকে এসেছে কিংবা কোথায় নেওয়া হচ্ছিল—এসব বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা তদন্তসাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়। বর্তমানে পুলিশের দেওয়া তথ্যই এ ঘটনার প্রাথমিক ভিত্তি।

এ ঘটনায় আটক মোহাম্মদ দিলশাদ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হতে পারে। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া সাড়ে ৯ শতাধিক পিস ইয়াবা আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জব্দ করা হবে। ইয়াবাসহ যুবক আটক হওয়ার ঘটনায় পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে। তবে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে। ঘটনাটি নিয়ে পরবর্তী সময়ে পুলিশের তদন্ত বা মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তা পৃথক প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানানো হবে।

আরোও পড়ুন – বান্দরবানের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, মন্ত্রিসভায় সাচিং প্রু জেরীর নাম চূড়ান্ত

মাধবপুরে সাড়ে ৯ শতাধিক ইয়াবাসহ যুবক আটক

আগস্ট ২৩, ২০২৬

এম এ বাছির রাজা,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে সাড়ে ৯ শতাধিক পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ দিলশাদ মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে উপজেলার মনতলা-চৌমুহনী সড়কের তেমুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেমুনিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে দিলশাদ মিয়াকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে সাড়ে ৯ শতাধিক পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক মোহাম্মদ দিলশাদ মিয়া সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের মন্দিহাতা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের ইসহাক আলীর ছেলে। তেমুনিয়া এলাকায় পুলিশের অভিযানের সময় তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে তার কাছে থাকা ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইয়াবাসহ যুবক আটক হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া মাদকের প্রকৃত সংখ্যা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিক বিষয় মামলা ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার কথা রয়েছে।

স্থানীয় সড়ক হিসেবে মনতলা-চৌমুহনী সড়কটি মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ওই সড়কের তেমুনিয়া এলাকায় শনিবার রাতে পুলিশের অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক এবং তার কাছ থেকে মাদক উদ্ধারের কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ইয়াবাসহ যুবক আটক সংক্রান্ত এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে গণ্য করা যাবে না।

অভিযানের বিষয়ে পুলিশ জানায়, তেমুনিয়া এলাকায় মাদকদ্রব্যের একটি চালান বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবস্থানের বিষয়ে গোপন তথ্য পাওয়ার পর সেখানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। এ সময় মোহাম্মদ দিলশাদ মিয়ার কাছ থেকে সাড়ে ৯ শতাধিক পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এরপর তাকে আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়া হয়। ইয়াবাসহ যুবক আটক হওয়ার পর উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় সাধারণত উদ্ধার হওয়া মাদকের পরিমাণ, আটক ব্যক্তির পরিচয় এবং অভিযানের স্থানসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়। মাধবপুরের তেমুনিয়া এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানেও আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মামলার পরবর্তী তদন্তে ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, মাদক কোথা থেকে এসেছে কিংবা কোথায় নেওয়া হচ্ছিল—এসব বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা তদন্তসাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়। বর্তমানে পুলিশের দেওয়া তথ্যই এ ঘটনার প্রাথমিক ভিত্তি।

এ ঘটনায় আটক মোহাম্মদ দিলশাদ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হতে পারে। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া সাড়ে ৯ শতাধিক পিস ইয়াবা আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জব্দ করা হবে। ইয়াবাসহ যুবক আটক হওয়ার ঘটনায় পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে। তবে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে। ঘটনাটি নিয়ে পরবর্তী সময়ে পুলিশের তদন্ত বা মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তা পৃথক প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানানো হবে।

আরোও পড়ুন – বান্দরবানের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, মন্ত্রিসভায় সাচিং প্রু জেরীর নাম চূড়ান্ত