আরাফাত রহমান অর্জন, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ)
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের চর কাদই গ্রামে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে সকির মোল্লা, আলিম মোল্লা, মুসা মোল্লা ও তাদের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিরোধপূর্ণ জায়গায় নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। মামলার বাদীপক্ষের দাবি, আদালতের নির্দেশনা থাকার পরও নির্মাণকাজ বন্ধ করা হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত পক্ষেরও বক্তব্য রয়েছে। ফলে আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নির্মাণকাজ নিয়ে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও মামলাসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, চর কাদই গ্রামের জায়গা নিয়ে জনৈক আমিন, হামিদ, রজব ও তারা নামের ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রতিবেশী সকির মোল্লা, আলিম মোল্লা ও মুসা মোল্লাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে শাহজাদপুর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। বাদীপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটি প্রায় ১৯ বছর ধরে বিচারাধীন। মোছাঃ হাসনা হেনা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মামলা চলমান থাকায় বিরোধপূর্ণ জায়গার মালিকানা ও ব্যবহার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি বিরোধপূর্ণ ওই জায়গায় বিবাদী পক্ষের নেতৃত্বে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা হয় বলে অভিযোগ করেছে বাদীপক্ষ। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তারা আদালতের শরণাপন্ন হন। পরে মোছাঃ হাসনা খাতুন আদালতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আবেদনের পর শাহজাদপুর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিচারক মোঃ শানু আকন্দ বিবাদী পক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। একই সঙ্গে নোটিশের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ স্থানে বিদ্যমান অবস্থা বজায় রাখার জন্য স্টেটাস্কো দেওয়া হয়েছে বলে বাদীপক্ষ জানিয়েছে।
বাদীপক্ষের অভিযোগ, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের কাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে। তাদের দাবি, বিরোধপূর্ণ জায়গায় নির্মাণকাজ চলতে থাকায় তারা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। নির্মাণকাজে বাধা দিতে গেলে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও করেছেন তারা। বাদীপক্ষের আরও দাবি, প্রতিপক্ষের প্রভাব ও হুমকির কারণে তারা বর্তমানে বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে অবস্থান করতে পারছেন না। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে যথাযথ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রোববার চর কাদই গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে বিরোধপূর্ণ জায়গা ও নির্মাণকাজের বিষয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলা হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়েও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা যায়। নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তবে সরেজমিন পরিদর্শনের সময় আদালতের আদেশ অমান্য হয়েছে কি না, তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণের মতো কোনো বিচারিক সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। বিষয়টি আদালতের নথি, আদেশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মুসা মোল্লার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় তারা স্টেটাস্কোর নোটিশ পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তার ভাই আইনজীবীর কাছে গেছেন বলেও জানান তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আদালতের নোটিশ পাওয়ার পর বিষয়টি আইনগতভাবে মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, বাদীপক্ষ নির্মাণকাজ বন্ধ না করার অভিযোগ তুললেও অভিযুক্ত পক্ষ আদালতের নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের কথা জানিয়েছে। দুই পক্ষের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় বিষয়টি এখন আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে।
এদিকে আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগের বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে সেখানে কোনো ধরনের নির্মাণকাজ করা আইনসঙ্গত নয়। অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি। পুলিশের এই বক্তব্যের পর স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগটি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়ার বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি আদালতের আদেশের কপি ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে।
দীর্ঘদিনের জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের মধ্যে নতুন করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ ওঠায় চর কাদই গ্রামে পরিস্থিতি যাতে আরও উত্তপ্ত না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে কোনো আদালতের নির্দেশনা থাকলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উচিত তা মেনে চলা এবং বিরোধপূর্ণ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা। বাদীপক্ষের অভিযোগ, অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য এবং পুলিশের মন্তব্য—তিনটি বিষয়ই এখন আলোচনায় রয়েছে। আদালতের পরবর্তী শুনানি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর ভবন নির্মাণের বিষয়ে প্রকৃত পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হতে পারে।
এ বিষয়ে আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা, পুলিশের তদন্ত এবং দুই পক্ষের আইনগত পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা আদালত বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের আগে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তাই বিরোধপূর্ণ জায়গা নিয়ে কোনো পক্ষ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়, সে বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের বিরোধটি দ্রুত আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তির দিকে এগোবে এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে। একই সঙ্গে আদালতের আদেশের যথাযথ বাস্তবায়ন হলে বিরোধকে কেন্দ্র করে নতুন কোনো উত্তেজনাও তৈরি হবে না।
আরোও পড়ুন – বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজশাহীতে সাজ সাজ রব
শাহজাদপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
আরাফাত রহমান অর্জন, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ)
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের চর কাদই গ্রামে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে সকির মোল্লা, আলিম মোল্লা, মুসা মোল্লা ও তাদের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিরোধপূর্ণ জায়গায় নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। মামলার বাদীপক্ষের দাবি, আদালতের নির্দেশনা থাকার পরও নির্মাণকাজ বন্ধ করা হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত পক্ষেরও বক্তব্য রয়েছে। ফলে আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নির্মাণকাজ নিয়ে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও মামলাসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, চর কাদই গ্রামের জায়গা নিয়ে জনৈক আমিন, হামিদ, রজব ও তারা নামের ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রতিবেশী সকির মোল্লা, আলিম মোল্লা ও মুসা মোল্লাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে শাহজাদপুর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। বাদীপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটি প্রায় ১৯ বছর ধরে বিচারাধীন। মোছাঃ হাসনা হেনা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মামলা চলমান থাকায় বিরোধপূর্ণ জায়গার মালিকানা ও ব্যবহার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি বিরোধপূর্ণ ওই জায়গায় বিবাদী পক্ষের নেতৃত্বে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা হয় বলে অভিযোগ করেছে বাদীপক্ষ। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তারা আদালতের শরণাপন্ন হন। পরে মোছাঃ হাসনা খাতুন আদালতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আবেদনের পর শাহজাদপুর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিচারক মোঃ শানু আকন্দ বিবাদী পক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। একই সঙ্গে নোটিশের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধপূর্ণ স্থানে বিদ্যমান অবস্থা বজায় রাখার জন্য স্টেটাস্কো দেওয়া হয়েছে বলে বাদীপক্ষ জানিয়েছে।
বাদীপক্ষের অভিযোগ, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের কাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে। তাদের দাবি, বিরোধপূর্ণ জায়গায় নির্মাণকাজ চলতে থাকায় তারা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। নির্মাণকাজে বাধা দিতে গেলে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও করেছেন তারা। বাদীপক্ষের আরও দাবি, প্রতিপক্ষের প্রভাব ও হুমকির কারণে তারা বর্তমানে বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে অবস্থান করতে পারছেন না। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে যথাযথ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রোববার চর কাদই গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে বিরোধপূর্ণ জায়গা ও নির্মাণকাজের বিষয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলা হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়েও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা যায়। নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তবে সরেজমিন পরিদর্শনের সময় আদালতের আদেশ অমান্য হয়েছে কি না, তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণের মতো কোনো বিচারিক সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। বিষয়টি আদালতের নথি, আদেশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মুসা মোল্লার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় তারা স্টেটাস্কোর নোটিশ পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তার ভাই আইনজীবীর কাছে গেছেন বলেও জানান তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আদালতের নোটিশ পাওয়ার পর বিষয়টি আইনগতভাবে মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, বাদীপক্ষ নির্মাণকাজ বন্ধ না করার অভিযোগ তুললেও অভিযুক্ত পক্ষ আদালতের নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের কথা জানিয়েছে। দুই পক্ষের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় বিষয়টি এখন আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে।
এদিকে আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগের বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে সেখানে কোনো ধরনের নির্মাণকাজ করা আইনসঙ্গত নয়। অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি। পুলিশের এই বক্তব্যের পর স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগটি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়ার বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি আদালতের আদেশের কপি ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে।
দীর্ঘদিনের জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের মধ্যে নতুন করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ ওঠায় চর কাদই গ্রামে পরিস্থিতি যাতে আরও উত্তপ্ত না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে কোনো আদালতের নির্দেশনা থাকলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উচিত তা মেনে চলা এবং বিরোধপূর্ণ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা। বাদীপক্ষের অভিযোগ, অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য এবং পুলিশের মন্তব্য—তিনটি বিষয়ই এখন আলোচনায় রয়েছে। আদালতের পরবর্তী শুনানি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর ভবন নির্মাণের বিষয়ে প্রকৃত পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হতে পারে।
এ বিষয়ে আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা, পুলিশের তদন্ত এবং দুই পক্ষের আইনগত পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা আদালত বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের আগে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তাই বিরোধপূর্ণ জায়গা নিয়ে কোনো পক্ষ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়, সে বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের বিরোধটি দ্রুত আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তির দিকে এগোবে এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে। একই সঙ্গে আদালতের আদেশের যথাযথ বাস্তবায়ন হলে বিরোধকে কেন্দ্র করে নতুন কোনো উত্তেজনাও তৈরি হবে না।
আরোও পড়ুন – বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজশাহীতে সাজ সাজ রব