মেস্ত্রেতে আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা, আটজনকে শনাক্তের দাবি

সংবাদ প্রতিদিন নিউজ ডেস্কঃ

ইতালির ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট জুলকারনাইন সায়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছেন, কথিত হামলায় সরাসরি জড়িত আটজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁর পোস্টে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নাম ও তাঁদের ফেসবুক প্রোফাইলও শেয়ার করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রকাশিত নামগুলোকে হামলায় জড়িত ব্যক্তি হিসেবে চূড়ান্তভাবে উল্লেখ না করে অভিযোগের বিষয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

জুলকারনাইন সায়েরের পোস্ট অনুযায়ী, হামলায় অভিযুক্ত হিসেবে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাঁরা হলেন—হাওলাদার মনিরুল, মাসুম খালাসি, সেপল মাহমুদ বিপ্লব, কাজী লাবু, আলতাব পাহার, প্রেম কুমার হৃদয়, নুর-ই আলম ও মোক্তার মোল্লা। তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার সময় এসব ব্যক্তির কয়েকজন অভিনেত্রীর সঙ্গে শারীরিকভাবে অসদাচরণ করেন এবং তাঁকে আঘাত করেন। একই সঙ্গে তাঁর গায়ে তরল পদার্থ ছুড়ে মারা, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং সঙ্গে থাকা স্বজনদের হয়রানির অভিযোগও করেছেন তিনি। এসব বক্তব্য অবশ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য বা পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

এর আগে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ঘটনার বর্ণনা দেন আজমেরী হক বাঁধন। তিনি জানান, ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে মেস্ত্রের একটি পার্কে সময় কাটাতে গেলে সেখানে একদল বাঙালি তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। বাঁধনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর শরীরে পানি ও কোক ছুড়ে মারা হয় এবং তাঁকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়। তিনি আরও জানান, এ সময় তাঁর ফোন ফেলে দেওয়া হয় এবং কানের পাশেও আঘাত লাগে। অভিনেত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনাটি তাঁর জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর ও ভীতিকর ছিল।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে আজমেরী হক বাঁধন বলেন, তিনি ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি তাঁকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর দাবি, তাঁকে লক্ষ্য করে পানি ও কোক ছোড়া হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর শরীরে হাত তোলা হয়েছে এবং ফোন ফেলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কানের পাশেও আঘাত করার কথা জানান তিনি। এসব বক্তব্যের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও নিয়ে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা আরও বেড়েছে। তবে ভিডিওগুলোর পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট ও প্রত্যেক ব্যক্তির ভূমিকা আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

বাঁধন তাঁর লাইভে আরও অভিযোগ করেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মীদের একটি অংশের সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র থাকতে পারে। এ বিষয়ে জুলকারনাইন সায়েরও তাঁর ফেসবুক পোস্টে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার একটি অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, কথিত হামলায় অভিযুক্ত কয়েকজনকে ঘটনার দুই দিন আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা গেছে। তবে কারও সঙ্গে ছবি থাকা বা কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার তথ্য নিজে থেকেই হামলায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ নয়। এ কারণে এ অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন।

এদিকে জুলকারনাইন সায়ের দাবি করেছেন, ঘটনাটি ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে বাঁধনকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি হামলার সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ঘটনার পর প্রতিকার চেয়ে ভেনিসের স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বাঁধন বলে জানা গেছে। এখন পুলিশের তদন্তে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ, হামলায় কারা জড়িত ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত দাবিগুলোর সত্যতা কতটা—সেসব বিষয় পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষা রয়েছে।

ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ইতালিতে অবস্থান করছেন ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে। রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমা নিয়ে তিনি উৎসবে অংশ নিয়েছেন। সিনেমাটি এবারের ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের অরিজন্তি প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেওয়ার সময় এমন একটি অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি দেশ-বিদেশে আলোচনায় এসেছে। তবে হামলার অভিযোগ ও চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর অংশগ্রহণ—দুই বিষয়কে আলাদাভাবে দেখা জরুরি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও বিভিন্ন পোস্টে ঘটনাটির নানা ধরনের বর্ণনা পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু এসব অনলাইন উপাদানের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা আইনগতভাবে যথাযথ নয়। অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্তদের বক্তব্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য, ভিডিও ফুটেজ এবং পুলিশের তদন্ত—সবকিছু মিলিয়েই ঘটনার প্রকৃত চিত্র নির্ধারণ করা সম্ভব। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সবশেষে, আজমেরী হক বাঁধনের অভিযোগ এবং জুলকারনাইন সায়েরের প্রকাশিত দাবিকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার আইনগত নিষ্পত্তি তদন্তের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করবে। হামলার অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ইতালির প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে অভিযোগে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের বক্তব্যও তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও তদন্তের ফলাফলই হবে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য।

আরোও পড়ুন – মেস্ত্রেতে আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ

মেস্ত্রেতে আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা, আটজনকে শনাক্তের দাবি

সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

সংবাদ প্রতিদিন নিউজ ডেস্কঃ

ইতালির ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট জুলকারনাইন সায়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেছেন, কথিত হামলায় সরাসরি জড়িত আটজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁর পোস্টে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নাম ও তাঁদের ফেসবুক প্রোফাইলও শেয়ার করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রকাশিত নামগুলোকে হামলায় জড়িত ব্যক্তি হিসেবে চূড়ান্তভাবে উল্লেখ না করে অভিযোগের বিষয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

জুলকারনাইন সায়েরের পোস্ট অনুযায়ী, হামলায় অভিযুক্ত হিসেবে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাঁরা হলেন—হাওলাদার মনিরুল, মাসুম খালাসি, সেপল মাহমুদ বিপ্লব, কাজী লাবু, আলতাব পাহার, প্রেম কুমার হৃদয়, নুর-ই আলম ও মোক্তার মোল্লা। তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার সময় এসব ব্যক্তির কয়েকজন অভিনেত্রীর সঙ্গে শারীরিকভাবে অসদাচরণ করেন এবং তাঁকে আঘাত করেন। একই সঙ্গে তাঁর গায়ে তরল পদার্থ ছুড়ে মারা, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং সঙ্গে থাকা স্বজনদের হয়রানির অভিযোগও করেছেন তিনি। এসব বক্তব্য অবশ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য বা পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

এর আগে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ঘটনার বর্ণনা দেন আজমেরী হক বাঁধন। তিনি জানান, ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে মেস্ত্রের একটি পার্কে সময় কাটাতে গেলে সেখানে একদল বাঙালি তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। বাঁধনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর শরীরে পানি ও কোক ছুড়ে মারা হয় এবং তাঁকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়। তিনি আরও জানান, এ সময় তাঁর ফোন ফেলে দেওয়া হয় এবং কানের পাশেও আঘাত লাগে। অভিনেত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনাটি তাঁর জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর ও ভীতিকর ছিল।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে আজমেরী হক বাঁধন বলেন, তিনি ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি তাঁকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর দাবি, তাঁকে লক্ষ্য করে পানি ও কোক ছোড়া হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর শরীরে হাত তোলা হয়েছে এবং ফোন ফেলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কানের পাশেও আঘাত করার কথা জানান তিনি। এসব বক্তব্যের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও নিয়ে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা আরও বেড়েছে। তবে ভিডিওগুলোর পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট ও প্রত্যেক ব্যক্তির ভূমিকা আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

বাঁধন তাঁর লাইভে আরও অভিযোগ করেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মীদের একটি অংশের সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র থাকতে পারে। এ বিষয়ে জুলকারনাইন সায়েরও তাঁর ফেসবুক পোস্টে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার একটি অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, কথিত হামলায় অভিযুক্ত কয়েকজনকে ঘটনার দুই দিন আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা গেছে। তবে কারও সঙ্গে ছবি থাকা বা কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার তথ্য নিজে থেকেই হামলায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ নয়। এ কারণে এ অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন।

এদিকে জুলকারনাইন সায়ের দাবি করেছেন, ঘটনাটি ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে বাঁধনকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি হামলার সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ঘটনার পর প্রতিকার চেয়ে ভেনিসের স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বাঁধন বলে জানা গেছে। এখন পুলিশের তদন্তে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ, হামলায় কারা জড়িত ছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত দাবিগুলোর সত্যতা কতটা—সেসব বিষয় পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষা রয়েছে।

ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ইতালিতে অবস্থান করছেন ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে। রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমা নিয়ে তিনি উৎসবে অংশ নিয়েছেন। সিনেমাটি এবারের ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের অরিজন্তি প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেওয়ার সময় এমন একটি অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি দেশ-বিদেশে আলোচনায় এসেছে। তবে হামলার অভিযোগ ও চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর অংশগ্রহণ—দুই বিষয়কে আলাদাভাবে দেখা জরুরি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও বিভিন্ন পোস্টে ঘটনাটির নানা ধরনের বর্ণনা পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু এসব অনলাইন উপাদানের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা আইনগতভাবে যথাযথ নয়। অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্তদের বক্তব্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য, ভিডিও ফুটেজ এবং পুলিশের তদন্ত—সবকিছু মিলিয়েই ঘটনার প্রকৃত চিত্র নির্ধারণ করা সম্ভব। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সবশেষে, আজমেরী হক বাঁধনের অভিযোগ এবং জুলকারনাইন সায়েরের প্রকাশিত দাবিকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার আইনগত নিষ্পত্তি তদন্তের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করবে। হামলার অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ইতালির প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে অভিযোগে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের বক্তব্যও তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও তদন্তের ফলাফলই হবে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য।

আরোও পড়ুন – মেস্ত্রেতে আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ