আনোয়ারুল ইসলাম রনি(রংপুর)
রংপুর নগরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী আইনি সহযোগিতা দেবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছে রংপুর আইনজীবী সমিতি। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারের পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আইনজীবীরা। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রংপুর আইনজীবী সমিতি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে রংপুর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন বলেন, “রংপুরে ৪ খুনের ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস ও নিকৃষ্টতম ঘটনা। এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, নিহত পরিবারকে প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দিতে আইনজীবী সমিতি পাশে থাকবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাঁদের পক্ষে আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য আইনি লড়াইয়ে অংশ নেবেন না।
আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কয়েকজন সরকারি আইনজীবী ও রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। পরিবারের পাশে থাকার প্রত্যয় জানিয়ে অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন বলেন, তাঁরা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সব ধরনের আইনগত সহযোগিতা দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাঁদের নাম সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহতদের স্বজনের করা মামলায় শুরুতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছিল। পরে তদন্তের ধারাবাহিকতায় ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাঁদের আদালতে নেওয়া হয় এবং পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশের তদন্তে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনাক্রম নিয়ে একটি বর্ণনা সামনে এসেছে। পুলিশ বলেছে, নিহত গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার সঙ্গে ছাদে ইয়াবা সেবনের বিষয়টি জড়িত ছিল। তবে এ বিষয়ে তদন্তের আরও কিছু প্রশ্ন ও অসঙ্গতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রও পুলিশের বক্তব্য নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে। ফলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও পুরো ঘটনাক্রম নিশ্চিত করতে তদন্তের ফলাফলের দিকে নজর রয়েছে।
মামলার তদন্ত নিয়েও এরই মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ—ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্তকারীরা জবানবন্দি, ময়নাতদন্তের তথ্য, ঘটনাস্থলের আলামতসহ অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করছেন। দুই আসামির ডিএনএ পরীক্ষা ও ডোপ টেস্টের বিষয়েও পুলিশ আদালতে আবেদন করার কথা জানিয়েছে। এসব পরীক্ষার ফলাফল তদন্তকে আরও স্পষ্ট করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।
হত্যাকাণ্ডের শিকার গণপতি চক্রবর্তী ছিলেন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। অবসরের পর তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার একটি নির্মাণাধীন বাড়ির দ্বিতীয় তলায় বসবাস করতেন। গত ২২ আগস্ট রাতে ওই বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী এবং ছেলে প্রীয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে চারজনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসরোধের কথা উঠে এসেছে।
মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই ঘটনাটি রংপুরসহ সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। পাশাপাশি হত্যার প্রকৃত কারণ, ঘটনাক্রম এবং আসামিদের জবানবন্দির সঙ্গে অন্যান্য আলামতের মিল রয়েছে কি না—এসব বিষয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
রংপুর আইনজীবী সমিতির সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের তদন্ত নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করা হয়। অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন বলেন, পুলিশি তৎপরতা এবং সাংবাদিকদের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত তদন্ত ও কার্যক্রম সঠিক পথেই রয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলন থেকে রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নিহত পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী সমিতির এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারপ্রক্রিয়ায় নিহত পরিবারের পাশে থাকার একটি প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ পেল।
তবে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও তাঁদের দেওয়া জবানবন্দির বিষয়গুলো আদালতে বিচারাধীন। চূড়ান্তভাবে অপরাধ প্রমাণের আগে তাঁদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যাবে না। তদন্তে পাওয়া আলামত, সাক্ষ্য, জবানবন্দি ও অন্যান্য প্রমাণ আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় মূল্যায়নের পরই মামলার চূড়ান্ত ফল নির্ধারিত হবে।
আরোও পড়ুন – রংপুরের চার খুনের তদন্তভার গেল ডিবির হাতে
রংপুরে ৪ খুন: আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবেন না কোনো আইনজীবী
আনোয়ারুল ইসলাম রনি(রংপুর)
রংপুর নগরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী আইনি সহযোগিতা দেবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছে রংপুর আইনজীবী সমিতি। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারের পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আইনজীবীরা। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রংপুর আইনজীবী সমিতি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে রংপুর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন বলেন, “রংপুরে ৪ খুনের ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস ও নিকৃষ্টতম ঘটনা। এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, নিহত পরিবারকে প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা দিতে আইনজীবী সমিতি পাশে থাকবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাঁদের পক্ষে আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য আইনি লড়াইয়ে অংশ নেবেন না।
আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কয়েকজন সরকারি আইনজীবী ও রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। পরিবারের পাশে থাকার প্রত্যয় জানিয়ে অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন বলেন, তাঁরা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সব ধরনের আইনগত সহযোগিতা দেওয়ার চেষ্টা করবেন।
রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাঁদের নাম সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহতদের স্বজনের করা মামলায় শুরুতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছিল। পরে তদন্তের ধারাবাহিকতায় ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাঁদের আদালতে নেওয়া হয় এবং পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশের তদন্তে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনাক্রম নিয়ে একটি বর্ণনা সামনে এসেছে। পুলিশ বলেছে, নিহত গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার সঙ্গে ছাদে ইয়াবা সেবনের বিষয়টি জড়িত ছিল। তবে এ বিষয়ে তদন্তের আরও কিছু প্রশ্ন ও অসঙ্গতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রও পুলিশের বক্তব্য নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে। ফলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও পুরো ঘটনাক্রম নিশ্চিত করতে তদন্তের ফলাফলের দিকে নজর রয়েছে।
মামলার তদন্ত নিয়েও এরই মধ্যে পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ—ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্তকারীরা জবানবন্দি, ময়নাতদন্তের তথ্য, ঘটনাস্থলের আলামতসহ অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করছেন। দুই আসামির ডিএনএ পরীক্ষা ও ডোপ টেস্টের বিষয়েও পুলিশ আদালতে আবেদন করার কথা জানিয়েছে। এসব পরীক্ষার ফলাফল তদন্তকে আরও স্পষ্ট করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।
হত্যাকাণ্ডের শিকার গণপতি চক্রবর্তী ছিলেন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। অবসরের পর তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার একটি নির্মাণাধীন বাড়ির দ্বিতীয় তলায় বসবাস করতেন। গত ২২ আগস্ট রাতে ওই বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী এবং ছেলে প্রীয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে চারজনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে শ্বাসরোধের কথা উঠে এসেছে।
মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই ঘটনাটি রংপুরসহ সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। পাশাপাশি হত্যার প্রকৃত কারণ, ঘটনাক্রম এবং আসামিদের জবানবন্দির সঙ্গে অন্যান্য আলামতের মিল রয়েছে কি না—এসব বিষয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
রংপুর আইনজীবী সমিতির সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের তদন্ত নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করা হয়। অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন বলেন, পুলিশি তৎপরতা এবং সাংবাদিকদের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত তদন্ত ও কার্যক্রম সঠিক পথেই রয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলন থেকে রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নিহত পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী সমিতির এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারপ্রক্রিয়ায় নিহত পরিবারের পাশে থাকার একটি প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ পেল।
তবে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও তাঁদের দেওয়া জবানবন্দির বিষয়গুলো আদালতে বিচারাধীন। চূড়ান্তভাবে অপরাধ প্রমাণের আগে তাঁদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যাবে না। তদন্তে পাওয়া আলামত, সাক্ষ্য, জবানবন্দি ও অন্যান্য প্রমাণ আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় মূল্যায়নের পরই মামলার চূড়ান্ত ফল নির্ধারিত হবে।
আরোও পড়ুন – রংপুরের চার খুনের তদন্তভার গেল ডিবির হাতে