ইতালিতে হামলার ঘটনায় মামলা করলেন আজমেরী হক বাঁধন

সংবাদ প্রতিদিন বিনোদন ডেস্কঃ

ইতালির ভেনিসে হামলা ও হেনস্তার শিকার হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা করেছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা ভেনিসে গিয়ে আজমেরী হক বাঁধনের সঙ্গে থানায় উপস্থিত ছিলেন। ইতালিয়ান পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ঘটনার পর আজমেরী হক বাঁধন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে হামলা ও হেনস্তার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থাকার সময় একদল প্রবাসী বাংলাদেশি তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, ওই ব্যক্তিরা পানি, কোমল পানীয় ও ডিম ছুড়ে মারেন এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। এ সময় তাঁর মোবাইল ফোন হাত থেকে পড়ে যায় এবং কানের কাছেও আঘাত লাগে বলে তিনি জানান। ঘটনার কিছু ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

আজমেরী হক বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীদের কয়েকজন নিজেদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে পরিচয় দেন। তাঁকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ বা ‘জুলাই জঙ্গি’ ধরনের শব্দ ব্যবহার করে কটূক্তি করা হয় বলেও তিনি জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রতি তাঁর সমর্থনের কারণেই তাঁকে লক্ষ্য করা হয়েছে। তবে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। ইতালির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমেও ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে এবং ঘটনার ভিডিও পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে দূতাবাস-সংশ্লিষ্ট বক্তব্যে জানানো হয়েছে।

মামলার বিষয়ে গোলাম মোর্তোজা জানান, ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা এবং স্থানীয় পুলিশ আজমেরী হক বাঁধনের পাশে ছিলেন। অপরাধীদের শনাক্ত করতে সহায়ক হতে পারে—এমন ভিডিওচিত্রও পুলিশের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে তিনি জানান। কারণ অভিনেত্রী উৎসবের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ইতালিতে অবস্থান করছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ANSA-ও ঘটনাটিকে মেস্ত্রে এলাকায় সংঘটিত হামলা হিসেবে উল্লেখ করে জানিয়েছে, উৎসবে ‘The Difficult Bride’ ছবির সঙ্গে অংশ নিচ্ছেন তিনি।

এদিকে ঘটনার পর ইতালিতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আজমেরী হক বাঁধন নিজেও দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি আইনি প্রক্রিয়া শেষ না করে বিষয়টি ছেড়ে দিতে চান না এবং পুরো ঘটনা শেষ পর্যন্ত অনুসরণ করার কথা জানিয়েছেন। একই সময়ে বাংলাদেশ সরকারও ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং অভিনেত্রীকে কনস্যুলার সহায়তা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। সংসদেও বিষয়টি উত্থাপিত হয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের আহ্বান জানানো হয়।

ঘটনার পর ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ আজমেরী হক বাঁধনের নিরাপত্তা ও অবস্থানের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে গোলাম মোর্তোজার বক্তব্যে উঠে এসেছে। তাঁর থাকার সময়সীমা বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। উৎসব শেষে তিনি ঢাকায় ফিরলেও ইতালিতে দায়ের করা মামলা চলমান থাকবে। ভবিষ্যতে তদন্তের প্রয়োজনে সাক্ষ্য দিতে তাঁকে আবার ভেনিসে যেতে হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পুলিশ তাঁর সঙ্গে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে বলে দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ইতালি যাওয়ার পর। আজমেরী হক বাঁধন সেখানে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘The Difficult Bride’ চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে উৎসবে অংশ নিচ্ছেন। ইতালির সংবাদমাধ্যমেও তাঁর ওপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ANSA জানিয়েছে, মেস্ত্রে এলাকায় কয়েকজন বাংলাদেশি তাঁকে ঘিরে ধরে হামলা করেন বলে তাঁর অভিযোগ। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ঘটনাটির সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও ২০২৪ সালের আন্দোলন-সংক্রান্ত পরিচয়ের প্রসঙ্গও এসেছে।

আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশ ও ইতালিতে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশের সরকারি পর্যায় থেকেও প্রতিক্রিয়া এসেছে। তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং ইতালিতে আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশি আইনপ্রণেতারাও বিষয়টি সংসদে তুলে ধরেছেন। ফলে এটি এখন শুধু একজন অভিনয়শিল্পীর ব্যক্তিগত অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে বিষয়টির আইনি তদন্ত এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে।

সব মিলিয়ে, ভেনিসে হামলা ও হেনস্তার অভিযোগের পর আজমেরী হক বাঁধনের মামলা এখন ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের আওতায়। ঘটনার ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে জানা গেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তদন্তে কী তথ্য পাওয়া যাবে এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন—এসব বিষয় এখন তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে। এদিকে আজমেরী হক বাঁধন আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান জানিয়েছেন। তাঁর নিরাপত্তা ও মামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশি দূতাবাসও যোগাযোগ রাখছে বলে জানানো হয়েছে।

আরোও পড়ুন – মেস্ত্রেতে আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা, আটজনকে শনাক্তের দাবি

ইতালিতে হামলার ঘটনায় মামলা করলেন আজমেরী হক বাঁধন

সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬

সংবাদ প্রতিদিন বিনোদন ডেস্কঃ

ইতালির ভেনিসে হামলা ও হেনস্তার শিকার হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা করেছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা ভেনিসে গিয়ে আজমেরী হক বাঁধনের সঙ্গে থানায় উপস্থিত ছিলেন। ইতালিয়ান পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ঘটনার পর আজমেরী হক বাঁধন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে হামলা ও হেনস্তার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থাকার সময় একদল প্রবাসী বাংলাদেশি তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, ওই ব্যক্তিরা পানি, কোমল পানীয় ও ডিম ছুড়ে মারেন এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন। এ সময় তাঁর মোবাইল ফোন হাত থেকে পড়ে যায় এবং কানের কাছেও আঘাত লাগে বলে তিনি জানান। ঘটনার কিছু ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

আজমেরী হক বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীদের কয়েকজন নিজেদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে পরিচয় দেন। তাঁকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ বা ‘জুলাই জঙ্গি’ ধরনের শব্দ ব্যবহার করে কটূক্তি করা হয় বলেও তিনি জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রতি তাঁর সমর্থনের কারণেই তাঁকে লক্ষ্য করা হয়েছে। তবে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। ইতালির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমেও ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে এবং ঘটনার ভিডিও পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে দূতাবাস-সংশ্লিষ্ট বক্তব্যে জানানো হয়েছে।

মামলার বিষয়ে গোলাম মোর্তোজা জানান, ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা এবং স্থানীয় পুলিশ আজমেরী হক বাঁধনের পাশে ছিলেন। অপরাধীদের শনাক্ত করতে সহায়ক হতে পারে—এমন ভিডিওচিত্রও পুলিশের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে তিনি জানান। কারণ অভিনেত্রী উৎসবের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ইতালিতে অবস্থান করছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ANSA-ও ঘটনাটিকে মেস্ত্রে এলাকায় সংঘটিত হামলা হিসেবে উল্লেখ করে জানিয়েছে, উৎসবে ‘The Difficult Bride’ ছবির সঙ্গে অংশ নিচ্ছেন তিনি।

এদিকে ঘটনার পর ইতালিতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আজমেরী হক বাঁধন নিজেও দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি আইনি প্রক্রিয়া শেষ না করে বিষয়টি ছেড়ে দিতে চান না এবং পুরো ঘটনা শেষ পর্যন্ত অনুসরণ করার কথা জানিয়েছেন। একই সময়ে বাংলাদেশ সরকারও ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং অভিনেত্রীকে কনস্যুলার সহায়তা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। সংসদেও বিষয়টি উত্থাপিত হয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের আহ্বান জানানো হয়।

ঘটনার পর ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ আজমেরী হক বাঁধনের নিরাপত্তা ও অবস্থানের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে গোলাম মোর্তোজার বক্তব্যে উঠে এসেছে। তাঁর থাকার সময়সীমা বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। উৎসব শেষে তিনি ঢাকায় ফিরলেও ইতালিতে দায়ের করা মামলা চলমান থাকবে। ভবিষ্যতে তদন্তের প্রয়োজনে সাক্ষ্য দিতে তাঁকে আবার ভেনিসে যেতে হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পুলিশ তাঁর সঙ্গে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে বলে দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ইতালি যাওয়ার পর। আজমেরী হক বাঁধন সেখানে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘The Difficult Bride’ চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে উৎসবে অংশ নিচ্ছেন। ইতালির সংবাদমাধ্যমেও তাঁর ওপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ANSA জানিয়েছে, মেস্ত্রে এলাকায় কয়েকজন বাংলাদেশি তাঁকে ঘিরে ধরে হামলা করেন বলে তাঁর অভিযোগ। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ঘটনাটির সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও ২০২৪ সালের আন্দোলন-সংক্রান্ত পরিচয়ের প্রসঙ্গও এসেছে।

আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশ ও ইতালিতে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশের সরকারি পর্যায় থেকেও প্রতিক্রিয়া এসেছে। তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং ইতালিতে আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশি আইনপ্রণেতারাও বিষয়টি সংসদে তুলে ধরেছেন। ফলে এটি এখন শুধু একজন অভিনয়শিল্পীর ব্যক্তিগত অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে বিষয়টির আইনি তদন্ত এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে।

সব মিলিয়ে, ভেনিসে হামলা ও হেনস্তার অভিযোগের পর আজমেরী হক বাঁধনের মামলা এখন ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের আওতায়। ঘটনার ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে জানা গেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তদন্তে কী তথ্য পাওয়া যাবে এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন—এসব বিষয় এখন তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে। এদিকে আজমেরী হক বাঁধন আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান জানিয়েছেন। তাঁর নিরাপত্তা ও মামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশি দূতাবাসও যোগাযোগ রাখছে বলে জানানো হয়েছে।

আরোও পড়ুন – মেস্ত্রেতে আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা, আটজনকে শনাক্তের দাবি